ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো আদৌ কতটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব, তা নিয়ে এখন নানা মহলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে ঘুরেফিরে সবাই বলছেন, দলটির প্রতিশ্রুতি তো খুবই বাস্তবসম্পন্ন। তবে দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতি দিয়ে এসব আকাশচুম্বী স্বপ্ন বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, দলটির উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে চাল সরবরাহের যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেখানে অর্থের উৎস কী হবে, তা সুস্পষ্ট নয়। বাণিজ্য ও শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রবণতা প্রশংসার দাবিদার হলেও নিরাপত্তা খাতে সংস্কারে আরও সুস্পষ্ট ইঙ্গিত থাকলে দেশ আরও এক ধাপ এগোতে পারত। একই সঙ্গে দেশের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী যেখানে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অনেকটাই আনুষ্ঠানিক, সেখানে উপরাষ্ট্রপতি পদ বাস্তবসম্মত নয় বলেও মনে করছেন তারা।
‘করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান সামনে রেখে দলটি ফ্যামিলি কার্ড, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকার ভাতা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, বিনিয়োগসহ ৫১টি বিষয়ে প্রাধান্য দিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করে বিএনপি। তবে এই বিশাল অঙ্কের অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা এবং দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতির সঙ্গে তার সামঞ্জস্য রক্ষা করা কতটুকু সম্ভব, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে।
বিএনপি তার ইশতেহারে গুরুত্ব দিয়েছে বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নসহ, দারিদ্র্য নিরসন, সামাজিক সুরক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, দেশব্যাপী কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, শ্রমিক ও প্রবাসী কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু মোকাবিলা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়। তাদের ইশতেহারের তৃতীয় অধ্যায়ে রয়েছে ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা। বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যাংক ও আর্থিক খাত সংস্কার, শিল্প ও সেবা খাত উন্নয়ন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, পরিবহনব্যবস্থা, সৃজনশীল অর্থনীতি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা জোরদারের কথা বলা হয়েছে। চতুর্থ অধ্যায়ে অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা, হাওর-বাঁওড় ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন, নগরায়ণ, আবাসন, নিরাপদ ও টেকসই ঢাকা বিনির্মাণ এবং পর্যটন খাত উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। পঞ্চম অধ্যায়ে গুরুত্ব পেয়েছে ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি। ধর্মীয় সম্প্রীতি, পাহাড় ও সমতলের জনগোষ্ঠীর অধিকার, ক্রীড়া উন্নয়ন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা এবং নৈতিকতার শক্ত পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিএনপির প্রধান আকর্ষণ ‘ফ্যামিলি কার্ড’, যার মাধ্যমে শুরুতে ৪০ লাখ পরিবারকে মাসিক ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা বা সমমূল্যের নিত্যপণ্য দেওয়া হবে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমানে সামাজিক সুরক্ষা খাতে জিডিপির মাত্র ২ শতাংশ ব্যয় করা হয়। বিএনপির এই একটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হলে এই খাতের বাজেট প্রায় দ্বিগুণ করতে হবে, যা বর্তমান রাজস্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত দুরূহ। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষিবিমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মাছচাষি, পশু খামারি ও কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, দলটির এই বিশাল অঙ্কের অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা এবং দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতির সঙ্গে তার সামঞ্জস্য রক্ষা করা কতটুকু সম্ভব, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে সফলভাবে কার্যকর করা সম্ভব হলে পালটে যাবে দেশের সার্বিক চিত্র।
বিএনপির ইশতেহারের বিষয়ে ঢাবি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, দলটির ঘোষিত ইশতেহার সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক। তবে এটি যেন কেবল কথার ফুলঝুরিতে সীমাবদ্ধ না থাকে। বাস্তবায়ন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, ইশতেহার বাস্তবায়নে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
যেমন ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে চাল সরবরাহের যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেখানে অর্থের উৎস কী হবে, তা সুস্পষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে কর বাড়ানো হবে, নাকি নতুন আয়ের উৎস তৈরি করা হবে; সে বিষয়েও পরিষ্কার ধারণার প্রয়োজন ছিল। কারণ, এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য টেকসই আয় সৃষ্টি অপরিহার্য। একই সঙ্গে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণের চেয়ে সামগ্রিক সবুজায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষাকে নীতিগতভাবে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হলে তা আরও বাস্তবসম্মত হতো। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত উপরাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির বিষয়টি স্পষ্ট নয় জানিয়ে বলেন, বর্তমান সংবিধানকাঠামোতে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অনেকটাই আনুষ্ঠানিক হওয়ায় সেখানে উপরাষ্ট্রপতির পদ বাস্তবসম্মত নয়।
এদিকে বিএনপি তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে তাদের চাকরির নিশ্চয়তা ও নানা প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে। পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশে বর্তমানে স্নাতক ডিগ্রিধারী তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ ৮৫ হাজার।
তরুণ ও বেকারদের জন্য দেশে ও দেশের বাইরে কর্মের সুযোগ সৃষ্টির পরিকল্পনার বিষয় উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ইশতেহার প্রণয়নে দেশের বিভিন্ন প্রজন্ম ও শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশার পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দৃষ্টিভঙ্গিও বিবেচনায় নেওয়ার চেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছে। অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রপ্তানিমুখী শিল্প এবং লজিস্টিক হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও ইশতেহারে রয়েছে।
সংস্কার, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা ও বিচারব্যবস্থা, সুশাসন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, নিরাপদ খাদ্য এবং উন্নত বাসস্থানের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাণিজ্য ও শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রবণতা ইশতেহারে লক্ষ করা যায়। একই সঙ্গে সন্ত্রাস দমন ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগের ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসনের প্রতিশ্রুতিও এতে স্পষ্ট। তবে পাশাপাশি নিরাপত্তা খাত সংস্কারের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত থাকলে জাতিসংঘের প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগোতে পারত।
দেশের অর্থনীতি চাঙা করতে তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে মোড় পরিবর্তন উল্লেখ করে নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, বিএনপির ইশতেহারে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা দিয়েছে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যাংক ও আর্থিক খাত সংস্কার, শিল্প ও সেবা খাত উন্নয়ন, বিদ্যুৎ-জ¦ালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, পরিবহনব্যবস্থা, সৃজনশীল অর্থনীতি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা জোরদারের কথাও তারা উল্লেখ করেছে। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি চাঙা করতে তাদের প্ররিকল্পনাগুলো যৌক্তিক। তবে ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দেশের জনগণ সুবিধা পাবে, অন্যথায় শুধুই প্রতিশ্রুতি হয়ে থাকবে। বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তাবতায় প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করা চ্যালেঞ্জ হলেও অসম্ভব নয়।
ইশতেহারের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘ভিশন-২০৩০’ এবং তারেক রহমানের রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদে যেসব বিষয়ে যে আঙ্গিকে ঐকমত্য ও স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে। এ দেশের মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারে, স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে, স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরে দিনের ভোট রাতে হয়েছে, তরুণ প্রজন্ম ভোট দিতে পারেনি, দেশে উন্নয়নের নামে লুটপাটসহ নানা অনিয়ম হয়েছে। এখন সময় এসেছে সঠিক জায়গায় ভোট দিতে হবে। আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, ক্ষমতায় গেলে তা পালন করা হবে।
এ ছাড়া বিএনপির ইশতেহারে ওষুধ ও ভ্যাকসিন সরবরাহ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, মহামারি ও মশাবাহিত রোগ নির্মূল, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ পানি সরবরাহ, জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক গঠন, স্বাস্থ্য খাতে অটোমেশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জাতীয় ই-প্রেসক্রিপশন ও প্রেসক্রিপশন অডিট প্রবর্তন, মেডিকেল শিক্ষায় গুরুত্বারোপ, স্বাস্থ্যকর্মীদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য খাতে সহিংসতা রোধ, মেডিকেল বর্জ্যরে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা, সমন্বিত ও আধুনিক পুষ্টি কর্মসূচি এবং তামাক ব্যবহারজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ঘোষিত এই ইশতেহারে স্বাস্থ্য খাত সম্পর্কিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা আরও আধুনিক, মানবিক ও জনবান্ধব হবে এবং দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ সমান স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ লাভ করবে।
এদিকে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এই প্রতিশ্রুতিগুলোর জন্য বড় বাধা। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪-৫ শতাংশে নেমে এসেছে এবং রাজস্ব আহরণ (ট্যাক্স-টু-জিডিপি রেশিও) ৭ শতাংশের নিচে, যা ভারত (১২%) বা পাকিস্তানের (১০%) তুলনায় অনেক কম।
অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সামষ্টিক অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা আনলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন অভাব ও স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্য পুনরুদ্ধারে যথেষ্ট মনোযোগ দিতে পারেনি। নির্বাচনি ডামাডোলে তরুণ ভোটাররা এই আশ্বাসগুলোকে ইতিবাচকভাবে দেখলেও তাদের মূল দাবি একটি সুস্থ কর্মসংস্থান বাজার এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া। দলগুলো যদি এসব প্রতিশ্রুতির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের উৎস এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা স্পষ্ট করতে না পারে, তাহলে এগুলো কেবল ‘নির্বাচনি গালগল্প’ হিসেবেই থেকে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।




সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন