× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পারভেজ খান

প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২৬, ১২:৫৫ এএম

প্রত্যাশার দোলায় স্থানীয় নির্বাচন

পারভেজ খান

প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২৬, ১২:৫৫ এএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

সংসদ আছে, সরকার আছে; কিন্তু স্থানীয় সরকার প্রায় অকার্যকর। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। প্রশ্ন উঠেছে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় রাষ্ট্রের প্রকৃত সিদ্ধান্ত কোথায় হচ্ছে? অনেক সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদসহ ইউনিয়ন পরিষদগুলো কার্যত নেতৃত্বশূন্য। কাজের চাপ বেড়ে গেছে ইউএনও, টিএনও থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসকদের। মেয়র-চেয়ারম্যানদের অনুপস্থিতি কিংবা সীমিত কার্যক্রমের কারণে মাঠ পর্যায়ে ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ এখন আগের তুলনায় বেশি নির্ভরশীল প্রশাসনের ওপর। এতে করে বেড়েছে ভোগান্তি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাস্তব প্রয়োগ কি ধীরে ধীরে জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রশাসনের দিকে সরে যাচ্ছে? সরকার আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ এবং নবগঠিত বগুড়াসহ মোট ১৩টি সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করলেও আদৌ সেটা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়েও অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, সমালোচকেরা নানান কথা বলবেই। বর্তমান পরিস্থিতির কারণে যে জনগণের সমস্যা বেড়েছে, সেটা তারাও বুঝতে পারছেন। একই সঙ্গে বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রশাসকদেরও সমস্যা হচ্ছে। দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বর্তমান সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। নবনির্বাচিত সরকারের স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি জাতীয় সংসদে এ তথ্য নিশ্চিতও করেছেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সহকারী পরিচালক আসাদুল হক রূপালী বাংলাদেশকে জানান, এসব সমস্যা মাথায় রেখে সরকারের সিদ্ধান্তমতে তারাও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অনেক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের ব্যাকলগ তৈরি হয়েছে। ইসির তথ্যমতে, ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে অধিকাংশেরই মেয়াদ চলতি বছরের মে থেকে নভেম্বরের মধ্যে শেষ হচ্ছে। ফলে আইনি জটিলতা বা সীমানা বিরোধের কারণে কিছু ইউপিতে ভোট আপাতত স্থগিত থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং নবগঠিত বগুড়াসহ মোট ১৩টি সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য যে বিপুল অর্থ প্রয়োজন, তা চলতি জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। একযোগে সব নির্বাচন না করে বাজেটের প্রাপ্যতা ও সুবিধার ওপর ভিত্তি করে ধাপে ধাপে ভোট নেওয়া হবে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন প্রথমে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী জুলাই থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ার পর নির্বাচনের চূড়ান্ত তপশিল ঘোষণা করতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং অর্থ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ শুরু করবে।

সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ‘স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৬’-এর খসড়াসহ অন্যান্য স্তরের বিধিমালা তৈরির কাজ করছে। জুনের মধ্যেই আইনি ও বিধিমালার কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো কোনো দলীয় প্রতীক ছাড়া সম্পূর্ণ নির্দলীয় ভিত্তিতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত বাড়ানোর পাশাপাশি পোস্টার ও ইভিএম ব্যবহার না করার পরিকল্পনা করছে ইসি। বর্ষা মৌসুম বা বৃষ্টির সময়কাল কেটে যাওয়ার পর অর্থাৎ, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০২৬ থেকে মাঠ পর্যায়ের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

কয়েকজন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতি নিয়ে যত আলোচনা, স্থানীয় সরকার নিয়ে ততটা নয়। অথচ একজন সাধারণ নাগরিকের জীবনে সংসদ সদস্যের চেয়ে অনেক বেশি প্রয়োজন হয় ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর কিংবা মেয়রের। জন্মসনদ, ওয়ারিশ সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, রাস্তা মেরামত, ড্রেনেজ সমস্যা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কিংবা স্থানীয় বিরোধ মীমাংসা- সবকিছুর প্রথম দরজা ছিল স্থানীয় সরকার। কিন্তু দেশের বহু এলাকায় এখন সেই দরজার সামনে তালা ঝুলছে। কোথাও উপজেলা চেয়ারম্যান নেই, কোথাও ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম সীমিত, কোথাও মেয়রের পরিবর্তে প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে, স্থানীয় সরকার কি ধীরে ধীরে প্রশাসনের একটি শাখায় পরিণত হচ্ছে? আর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির অনুপস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কি সাধারণ নাগরিক? কবে নাগাদ এই শূন্যস্থানগুলো পূরণ হবে, সেটারও সঠিক কোনো সময় জানতে পারছি না।

সরকারি সূত্রমতে, পরিস্থিতির প্রয়োজনেই প্রশাসন অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছে এবং জনগণের সেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সেটিই তাদের প্রধান লক্ষ্য। যখন স্থানীয় সরকার দুর্বল হয়, তখন প্রশাসন স্বাভাবিকভাবেই সেই শূন্যস্থান পূরণ করে। কারণ রাষ্ট্রের কাজ থেমে থাকে না। তবে এটাও সত্য যে, প্রশাসন যতই দক্ষ হোক, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির বিকল্প হতে পারে না। কারণ জনপ্রতিনিধিরা জনগণের সরাসরি জবাবদিহির মধ্যে থাকেন, যা আমলাতান্ত্রিক কাঠামোয় সীমিত। স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা আইনগত দায়িত্ব পালন করলেও তাদের পক্ষে প্রতিটি গ্রামের সামাজিক বাস্তবতা জানা সম্ভব নয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই সেবা পেতে সময় বাড়ছে, জটিলতা তৈরি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার দ্রুত এই অবস্থান থেকে সরে আসতে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে ভাবছে।

সরকার যেটাই বলুক, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভের শেষ নেই। অনেক এলাকায় নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশ সনদ বা প্রত্যয়নপত্র নিতে গিয়ে মানুষকে ঘুরতে হচ্ছে এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে। ‘স্যার, একটা সনদ লাগবে’- কিন্তু সই করবেন কে? গ্রামের একজন কৃষকের প্রশ্ন, ইউএনও সাহেব কি আমার পরিবার চেনেন? চেয়ারম্যান তো চিনতেন। এই প্রশ্নের মধ্যেই লুকিয়ে আছে স্থানীয় সরকার সংকটের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা। স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল এর নাগরিক সংযোগ। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্যরা এলাকার মানুষকে চিনতেন, যেটা কঠিন প্রশাসকদের ক্ষেত্রে।

সমালোচকদের কারো কারো মত ভিন্ন। তারা ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখছেন বা ভাবছেন। তাদের মতে, বর্তমানে স্থানীয় সরকারের দুর্বলতার কারণে ক্ষমতা ধীরে ধীরে কেন্দ্রীয় প্রশাসনের দিকে সরে গেছে। ডিসি, ইউএনও এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওপর দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে তাদের প্রভাব। ফলে একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে- বাংলাদেশ কি স্থানীয় সরকারভিত্তিক বিকেন্দ্রীকরণের পথ থেকে আবার কেন্দ্রীভূত প্রশাসনিক ব্যবস্থার দিকে ফিরে যাচ্ছে? এই পরিস্থিতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্ভবত জবাবদিহির প্রশ্ন। কোনো চেয়ারম্যান কাজ না করলে মানুষ সরাসরি তার বাড়িতে যেতে পারে, তাকে প্রশ্ন করতে পারে, পরের নির্বাচনে ভোট না দিতে পারে। কিন্তু একজন প্রশাসকের ক্ষেত্রে সেই সম্পর্ক থাকে না। ফলে স্থানীয় জনগণের অভিযোগ, ক্ষোভ কিংবা প্রত্যাশা প্রকাশের গণতান্ত্রিক পথ সংকুচিত হয়ে যায়।

সমালোচকদের মতে, সাধারণ গ্রামের মানুষ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বোঝেন না। তারা ক্ষমতার তত্ত্ব নিয়েও মাথা ঘামান না। তারা চান একটি জন্মসনদ দ্রুত পাওয়া যাক। একটি ওয়ারিশ সনদের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ ঘুরতে না হোক। রাস্তার গর্তটি মেরামত হোক। প্রয়োজনের সময় এমন একজনকে পাওয়া যাক, যিনি এলাকার মানুষ এবং এলাকার সমস্যা বোঝেন। এই জায়গাটিই আজ সবচেয়ে বেশি আলোচনার দাবি রাখে। প্রশ্নটি শুধু চেয়ারম্যান বা মেয়রের পদ নিয়ে নয়; প্রশ্নটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে নিচের স্তরে নাগরিকের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে। প্রশ্নটি সেবা পাওয়ার অধিকার নিয়ে। প্রশ্নটি জবাবদিহি নিয়ে। প্রশাসক একজন দক্ষ কর্মকর্তা হতে পারেন। তিনি নিয়ম জানেন, আইন বোঝেন, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারেন, কিন্তু তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নন। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জনগণের কাছে জবাবদিহি। আগামী নির্বাচনে ভোট চাইতে হবে- এই বাস্তবতা তাকে জনগণমুখী রাখে। অন্যদিকে প্রশাসকের জবাবদিহির কাঠামো ভিন্ন। তিনি সরকারের কাছে জবাবদিহি করেন, ভোটারের কাছে নয়।

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সমিতি, বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম (বিইউপিএফ) এবং বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বার কল্যাণ ট্রাস্টের নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু গতকাল টেলিফোনে রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প থেমে নেই। রাস্তা হচ্ছে, কালভার্ট হচ্ছে, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এসেছে- এই প্রকল্পগুলোর অগ্রাধিকার নির্ধারণ করছে কারা? উন্নয়ন চলছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কারা? আগে একজন চেয়ারম্যান বা মেয়র জনগণের চাহিদার ভিত্তিতে বিষয়গুলো তুলে ধরতেন। কোন রাস্তা আগে হবে, কোথায় ড্রেন প্রয়োজন, কোন ওয়ার্ডে বরাদ্দ বাড়াতে হবে- এসব বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি ভূমিকা থাকত। কিন্তু বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতরেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে উন্নয়ন হচ্ছে, কিন্তু তা কতটা জনচাহিদাভিত্তিক- সেই প্রশ্নও উঠছে।

তিনি আরও বলেন, এতে করে স্থানীয় সরকারের দর্শন কি হারিয়ে যাচ্ছে না? মনে রাখতে হবে, স্থানীয় সরকার কেবল সেবা দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি গণতন্ত্রের সবচেয়ে নিচের স্তর। একজন নাগরিক প্রথম রাজনৈতিক শিক্ষা পান ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে। এখানেই তিনি দেখেন কীভাবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত একজন ব্যক্তি তার হয়ে কথা বলেন। কিন্তু যখন সেই জায়গাগুলো দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচিত নেতৃত্বশূন্য থাকে, তখন স্থানীয় গণতন্ত্রও দুর্বল হয়ে পড়ে। স্থানীয় সরকার দুর্বল হলে রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে দূরত্ব বাড়ে। মানুষ তখন সরকারকে নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, দূরের কোনো কর্তৃপক্ষ হিসেবে দেখতে শুরু করে।

একই সংগঠনের আরেক নেতা আশরাফুল ইসলাম চপল বলেন, ক্ষমতার বাস্তব চিত্র বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সাধারণ মানুষ সমস্যার সমাধানের জন্য কার কাছে যাচ্ছেন তা দেখা। আগে স্থানীয় সড়ক, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, ভূমি বিরোধ কিংবা প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে মানুষ জনপ্রতিনিধিদের দ্বারস্থ হতেন। এখন অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে সরাসরি আবেদন করতে দেখা যাচ্ছে। এটি একদিকে প্রশাসনের প্রতি আস্থার প্রতিফলন হতে পারে, অন্যদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের দুর্বলতারও ইঙ্গিত হতে পারে।

Link copied!