গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সন্দেহজনক হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো হামবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৮০ এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮১ হাজার ৮৪। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৫৪। গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৮৩৩।
গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৬ হাজার ১৭০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৬২ হাজার ২৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৫৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য অনেক হাসপাতালের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির ঘাটতি রয়েছে। হামের বিষয়ে কোন হাসপাতালে কত রোগী আছে, কত শয্যা খালি, আইসিইউ খালি আছে কি নাÑ এসব তথ্য সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র প্রকাশ করে না। অথচ কোভিড ১৯ মহামারির সময় এসব তথ্য দেওয়া হতো, যা রোগী ব্যবস্থাপনার জন্য দরকার। এতে করে একটি শিশু হামে আক্রান্ত হলে অন্য শিশুরও আক্রান্তের শংকা থেকে যায়। এ ব্যাপারে সরকারের সচেতনতা কার্যক্রম আরও বাড়ানো প্রয়োজন উল্লেখ করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস এম মাহমুদুজ্জামান শোয়েব রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, রোগটি আর সাধারণ পর্যায়ে নেই। প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে একের পর এক শিশু। এমন পরিস্থিতিতে হাম নিয়ন্ত্রণেও এখন সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে আমাদের আরও খেসারত দিতে হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন