× UCB Sticker Card
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০১:৫৬ এএম

এনামুল-আহমেদুল বলয়ে বন্দি ইডকল

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০১:৫৬ এএম

এনামুল-আহমেদুল  বলয়ে বন্দি ইডকল

জীবাশ্ম জ্বালানির উচ্চমূল্য ও ঘাটতির সময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের টেকসই ও সাশ্রয়ী বিকল্প হলো সৌরবিদ্যুৎ। এটি লোডশেডিংয়ের সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি আমদানিনির্ভরতা হ্রাস করে এবং পরিবেশবান্ধব হওয়ায় দেশের প্রকৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম বলে মত বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু এই নবায়নযোগ্য জ¦ালানিব্যবস্থা অর্থায়নে নিয়োজিত রয়েছে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল)। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানটি ২২ বছর ধরে জিম্মি রয়েছে এনামুল-আহমেদুল সিন্ডিকেটের হাতে। কোনো সরকারই তাকে পদ থেকে সরাতে পারেনি। আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে পরিচিত ইডকলের এই ‘হেড অব রিনিউয়েবল এনার্জি’ এনামুল কবির পাভেল সব সরকারের আমলেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে হাতিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। তার মদদদাতা হিসেবে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড সোশ্যাল সেফগার্ড ইউনিটের প্রধান আহমেদুল হাই চৌধুরী। এনামূলের দায়িত্বকালীন সময়ে পাঁচবার সরকার পরিবর্তন হলেও ডেপুটেশনে থাকা এই কর্মকর্তার অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, এই এনামুল আর আহমেদুলের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পুরো নবায়নযোগ্য জ¦ালানি খাতই।

রূপালী বাংলাদেশের অনুসন্ধানে জানা যায়, সরকারি মালিকানাধীন এ অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানে টানা ২২ বছর দীর্ঘ সময় একই পদে থাকার সুবাদে ইডকলের ভেতরে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন এনামুল। এই এনামূল সিন্ডিকেট প্রতিষ্ঠানের ভেতরে একটি ‘অদৃশ্য ক্ষমতাকাঠামো’ হিসেবে কাজ করছে। নিজেদের পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বা ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) নিয়োগ ছাড়া প্রকল্পে অর্থায়ন পাওয়া কঠিন এমন অভিযোগ নিয়মিত। আর তার মদদদাতা হিসেবে কাজ করছেন প্রতিষ্ঠানটির এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড সোশ্যাল সেফগার্ড ইউনিটের প্রধান আহমেদুল হাই চৌধুরী।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে ইডকল দেশে সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থায়ন করে থাকে। এসব প্রকল্পে এনভায়রমেন্টাল অ্যান্ড সোশ্যাল এসেসমেন্ট (ইএসআইএ) রিপোর্ট প্রস্তুত ও দাখিল করা বাধ্যতামূলক। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান নিজস্বভাবে বা স্বাধীনভাবে নির্বাচিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইএসআইএ রিপোর্ট প্রস্তুত করে এবং ইডকলের সংশ্লিষ্ট ইউনিট তা পর্যালোচনা ও অনুমোদন প্রদান করার কথা। তবে অভিযোগ রয়েছে যে, এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে ঋণগ্রহীতাদের নির্দিষ্ট পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগে বাধ্য করা হয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, ঋণগ্রহীতারা নিজেদের পছন্দমতো পরামর্শক নির্বাচন করার সুযোগ পান না। বরং সংশ্লিষ্ট পক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিতে বাধ্য হতে হয়, যদিও এসব কাজের ব্যয় সম্পূর্ণভাবে ঋণগ্রহীতারাই বহন করেন। এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ পাওয়া যায়, ইএসআইএ রিপোর্ট প্রস্তুতের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট পরিবেশগত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে তুলনামূলক উচ্চমূল্যে কাজ প্রদান করা হয় এবং এর মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করা হয় বলে দাবি করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী, কিছু প্রকল্পে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করা হলেও বাস্তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দ্বারা পূর্ণাঙ্গ ইএসআইএ রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়নি; বরং অভ্যন্তরীণভাবে বা অন্য উৎস থেকে রিপোর্ট প্রস্তুত করে তা দাতা সংস্থার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। যার কারণে প্রকল্প ব্যয় সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করা হলেও কাজের মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দেশে বিপুলসংখ্যক যোগ্য পরিবেশগত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবায়িত অধিকাংশ সোলার প্রকল্পের ইএসআইএ কাজ ‘গ্রীনবাড’ নামক একটি নির্দিষ্ট পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। এতে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, মূল্য নির্ধারণ যৌক্তিক ছিল কি না এবং আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা বজায় ছিল কি না এসব বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে এই এনামুল কবির পাভেল এবং তার সহযোগী আহমেদুল হাই চৌধুরী তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার সুবাদে ইডকলকে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে তৈরি করে ফেলেন। তখন প্রশাসনিক বা অভ্যন্তরীণ কোনো বাধা এলে তার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবহার করে তা সমাধান করে ফেলত বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। ‘অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ সোলার কোম্পানি’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের ইডকলের টিআর কাবিটা প্রকল্পে সম্পৃক্ততা ছিল এবং তাদের মাধ্যমে নি¤œমানের সরঞ্জাম তুলনামূলক উচ্চমূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে বলে প্রশ্ন উঠেছে।

সম্প্রতি বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইএসআইএ প্রক্রিয়া, পরামর্শক নিয়োগব্যবস্থা, সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ প্রভাব কাঠামো, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রভাব, প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জনের উৎসÑ সব কিছু নিয়ে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।

প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোনো উদ্যোক্তা প্রকল্প নিয়ে ইডকলে গেলে, অধিকাংশ সময়ই তাকে নির্দিষ্ট কিছু ইপিসি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রস্তাব করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রতিষ্ঠানের নাম স্কিউব টেকনোলজিস লিমিটেড। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প নির্বাচন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী ঘনিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানটিকে ধারাবাহিকভাবে কাজ পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রতিযোগিতামূলক বাজারব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং প্রকল্প ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ৩০১ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৭৬টি রুফটপ সোলার প্রকল্পে ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৯১ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২৩টি প্রকল্পে ইপিসি ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে স্কিউব, যা মোট অনুমোদিত সক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশ। অন্যদিকে, ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুমোদিত রুফটপ সোলার প্রকল্পের ৪১ শতাংশেরও বেশি কাজ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সরকার পরিবর্তনের পর স্কিউবের প্রভাব কিছুটা কমলেও সিন্ডিকেটের দাপট থেমে নেই। খাতসংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, দেশে প্রায় দুই শতাধিক ইপিসি প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও সীমিত কয়েকটি কোম্পানির হাতে অধিকাংশ কাজ কেন কেন্দ্রীভূত হচ্ছে?

স্কিউব টেকনোলজিসকে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের ঘনিষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীম আহসান মহাবুল্লাহ সাবেক মন্ত্রী ম. খা. আলমগীরের ভাগ্নে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কিত সাবেক ভিসি নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর আপন ভাই। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইডকলের এনামুল-আহমেদুলের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরি জিম্মি করে রেখেছেন স্কিউবের মালিক শামীম আহসান মহাবুল্লাহও। শুধু তা-ই নয়, স্কিউব টেকনোলজিসে এনামুল করিম পাভেলের গোপন অংশীদারিত্বও রয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে আনুষ্ঠানিক নথি পাওয়া যায়নি। তবে একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেন, দীর্ঘ সময় ধরে একই পদে থাকায় তিনি প্রতিষ্ঠানের ভেতরে একটি প্রভাবশালী প্রশাসনিক বলয় তৈরি হয়েছে যারা ভিন্নমতাবলম্বীদের কোণঠাসা করে রেখেছেন দিনের পর দিন।

মন্ত্রণালয় থেকে ডেপুটেশনে ইডকলে আসা এনামুল করিম পাভেল সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রভাব বিস্তার করেন ধীরে ধীরে। রুফটপ সোলার প্রকল্প বরাদ্দে স্কিউবকে অগ্রাধিকার দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চাপ প্রয়োগ করা হতো। এমনকি স্কিউব কাজ না পেলে কিছু ক্ষেত্রে অর্থায়ন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করার অভিযোগ রয়েছে তার পাভেলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, প্রকল্প ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেখানোর ঘটনা অহরহ। এসব অনিয়ম আর দুর্নীতির মাধ্যমে কালো টাকার পাহাড় গড়েছেন এনামুল কবির পাভেলও। গুলশানে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন। যা তার আয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এ ছাড়া কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় টাকা পাচারের বিষয়ে ব্যাপক জনশ্রুতি রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. এনামুল করিম পাভেল। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আপনারা জানেনÑ নবায়নযোগ্য জ¦ালানির উন্নয়নে ইডকল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এখন পর্যন্ত ইডকল থেকে ৩০০ মেগাওয়াটের বেশি প্রকল্পে অর্থায়ন করা হয়েছে। এখানে স্কিউব টেকনোলজিস ২০ শতাংশের (৬০ মেগাওয়াট) মতো করেছে। স্কিউব ২৫০ মেগাওয়াটের সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেছে, যা আমাদের অর্থায়ন ছাড়াই। ওরা (স্কিউব) বড় অংশ বাস্তবায়ন করেছে আমাদের অর্থায়ন ছাড়া। কেউ অভিযোগ করতেই পারে, তবে স্কিউবকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার তথ্য সত্য নয়। আমার যা সম্পদ রয়েছে, সব ঘোষিত বলেও দাবি করেন তিনি।

একই রকমভাবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আহমেদুল হাই চৌধুরীও। এসব সাংবাদিকদের মনগড়া অভিযোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনারা এগুলো কোথায় পান জানি না। আপনি যেসব অভিযোগের কথা বলছেন, সেগুলো আমার মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। আর আওয়ামী লীগ নেতা ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার যে কথা বলছেন, আমি কখনো তার নাম ভাঙাইনি। আপনার যা মন চায় লিখতে পারেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে ইডকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর মোর্শেদকে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি এসএমএস দিলেও সাড়া দেননি।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমাদের সংগঠনে দুই শতাধিক সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে দেড় শতাধিক সরাসরি সৌরবিদ্যুৎ খাতে কাজ করে। কিন্তু ইডকলে কাজ পায় হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। ইডকলে একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। ঘুরেফিরে তারাই কাজ পায়। দেখা যায়, এক-দুইটি প্রতিষ্ঠানই ৮০ শতাংশ কাজ করছে। ইডকলের সংস্কার না হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। এদিকে শুধু নির্দিষ্ট কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দেওয়াই নয়, প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়ায় নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে রয়েছে ইডকলের ওই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। প্রকল্পে ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে স্বাধীন প্রকৌশলী বা ইনডিপেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (আইই) নিয়োগ বাধ্যতামূলক হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!