× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কোরবানির হাট কাঁপাবে ভাঙ্গুড়ার ‘ব্লাক ডায়মন্ড’

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১৮, ২০২৬, ০৬:২৭ এএম

কোরবানির হাট কাঁপাবে  ভাঙ্গুড়ার ‘ব্লাক ডায়মন্ড’

মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর বাজার। প্রতি বছরের মতো এবারও বাহারি নাম ও বিশাল আকৃতির গরু নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন খামারিরা। আর সেই তালিকায় বিশেষভাবে নজর কেড়েছে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ‘ব্লাক ডায়মন্ড’। ভাঙ্গুড়া উপজেলার চৌবাড়ীয়া হারোপাড়া এলাকার জনতা ডেইরি এন্ড এগ্রো ফার্মে লালন-পালন করা দানব আকৃতির ষাঁড় ‘ব্লাক ডায়মন্ড’ ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কুচকুচে কালো রং, সুঠাম গঠন ও বিশাল আকৃতির কারণে গরুটিকে দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় মানুষ ও পাইকাররা।

খামার কর্তৃপক্ষ জানায়, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশীয়, ফ্রিজিয়ান ও শাহীওয়ালসহ বিভিন্ন জাতের শতাধিক গরু প্রস্তুত রয়েছে তাদের খামারে। তবে সব গরুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে ‘ব্লাক ডায়মন্ড’।

খামার সূত্রে জানা গেছে, ব্লাক ডায়মন্ডের বর্তমান ওজন প্রায় ১৪ মণ। বিশাল আকৃতির কারণে গরুটি হাটে আনা-নেওয়া করা কঠিন হওয়ায় খামার থেকেই বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে। গরুটির সম্ভাব্য দাম ধরা হয়েছে প্রায় ৪ লাখ টাকা। তবে আলোচনা সাপেক্ষে দাম কিছুটা কমবেশি হতে পারে বলে জানিয়েছেন খামার মালিকরা।

রোববার সরেজমিনে জনতা ডেইরি অ্যান্ড এগ্রো ফার্মে গিয়ে দেখা যায়, ঈদ সামনে রেখে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ গরু দেখতে ও দাম যাচাই করতে খামারে ভিড় করছেন। অনেক ক্রেতাই হাটের ভিড় ও রোগাক্রান্ত পশুর ঝুঁকি এড়াতে সরাসরি খামার থেকে গরু কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ‘ব্লাক ডায়মন্ড’ এখন শুধু হারোপাড়া গ্রামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ গরুটি দেখতে আসছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন, আবার কেউ এর ওজন ও দাম নিয়ে আলোচনা করছেন।

জনতা ডেইরি অ্যান্ড এগ্রো ফার্মের পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মো. রাজু মোল্লা বলেন, ‘মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ছোট-বড় সব ধরনের গরু খামারে রাখা হয়েছে। অন্য বছরের তুলনায় এবার কয়েকশ কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। ব্লাক ডায়মন্ডকে খৈল, খড়, ভুসিসহ প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে যতেœ বড় করা হয়েছে। বিশাল দেহ আর কুচকুচে কালো রঙের কারণেই গরুটির নাম রাখা হয়েছে ব্লাক ডায়মন্ড।’ তিনি আরও বলেন, ‘ন্যায্যমূল্যে গরুটি বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি।’

ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা. রুমানা আকতার রোমি জানান, উপজেলায় কোরবানির পশুর কোনো সংকট নেই। ২৬ হাজার ৮৮৭টি পশুর চাহিদার বিপরীতে ৬৬ হাজার ৫৩৩টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৯ হাজার ৬৪৬টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস উৎপাদনে খামারিদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!