× UCB Sticker Card
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

বেইলি রোডে আগুন

জামিনের আবেদন করে প্রত্যাহার হাক্কা রেস্টুরেন্ট মালিকের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

জামিনের আবেদন করে  প্রত্যাহার হাক্কা  রেস্টুরেন্ট মালিকের

রাজধানীর বেইলি রোডে দুই বছর আগে গ্রিন কোজি কটেজ নামে একটি বহুতল ভবনে আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনার মামলায় আত্মসমর্পণের পর কারাগারে যাওয়া হাক্কা ঢাকা রেস্টুরেন্টের মালিক রাফি উজ-জাহেদ (৩৪) জামিনের আবেদন করেও পরে তা প্রত্যাহার করেছেন।

গতকাল রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে জামিনের আবেদন করেন রাফি। তার পক্ষে অ্যাডভোকেট এ বি এম ইব্রাহিম খলিল জামিন শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।

প্রসিকিউটর শামছুদ্দোহা সুমন বলেন, ‘আসামিপক্ষ থেকে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করি। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে আমাকে জানানো হয়, জামিন নামঞ্জুর। পরে আবার আমাকে জানানো হলো, আসামিপক্ষ আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এটা কী করে সম্ভব?

গত ২৩ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণের আবেদন করেন রাফি উজ-জাহেদ। পরে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। গত ১৭ মে আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী রমজানুল হক নিহাদ এবং হাক্কা ঢাকা রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী আদিব আলম আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। নিহাদ আত্মসমর্পণের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। তবে জামিন পান আদিব আলম।

গ্রিন কোজি কটেজে আগুনে প্রাণহানির ঘটনায় গত ১৯ এপ্রিল ভবনটিতে থাকা বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিকসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। ওই দিন পলাতক ১৩ আসামিকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এর আগে ২ এপ্রিল মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর শাহজালাল মুন্সী।

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টার দিকে গ্রিন কোজি কটেজ সাততলা ভবনে আগুনে ৪৬ জন প্রাণ হারায়। তাদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ৮ জন শিশু। জীবিত উদ্ধার করা হয় ৭৫ জনকে। ওই ঘটনায় রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম মামলা করেন। থানা-পুলিশের হাত ঘুরে মামলার তদন্তভার পায় সিআইডি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!