× UCB Sticker Card
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২৬, ০৩:০৫ এএম

জাল ভিসায় তিনজনকে ইতালি পাঠানোর ঘটনায় বিমান কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২৬, ০৩:০৫ এএম

জাল ভিসায় তিনজনকে  ইতালি পাঠানোর ঘটনায়  বিমান কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

জাল ভিসায় তিনজনকে ইতালিতে পাঠানোর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। জামালপুর থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের পর দুপুরে ঢাকার মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা।

বিমানের গ্রাউন্ড অফিসার আকলাসুর রহমানের সহযোগিতা নিয়ে ওই তিন ব্যক্তি জাল ভিসায় কীভাবে ইতালি গিয়ে ধরা পড়েন এবং পরে তাদের মধ্যে দুজন ফেরত আসেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন এই সিআইডি কর্মকর্তা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিমান কর্মকর্তা আকলাসুরের ‘যোগসাজসে’ গত ২৬ মে তিনজন ইতালিগামী বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশ ছেড়েছিলেন। রোম বিমানবন্দরে গিয়ে জাল শেনজেন ভিসাসহ ধরা পড়েন মোস্তাফিজুর রহমান অনিক ও অক্ষয় চন্দ্র দাস। পরে তাদের দুই দিন হেফাজতে রেখে ২৮ মে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। তবে আরেকজন কৌশলে ইমিগ্রেশন শেষ করে ইতালিতে প্রবেশ করতে পারায় তার নাম-পরিচয় বলেনি সিআইডি।

দেশে ফেরত আসার পর বিভিন্ন সংস্থা দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে গোটা চক্রের তথ্য বেরিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে অনিক ও অক্ষয় স্বীকার করেন, জনপ্রতি ৩০ লাখ টাকার চুক্তিতে একটি চক্রের সহায়তায় তারা দেশ ছেড়েছিলেন। ইতালি পৌঁছাতে অগ্রিম দিয়েছিলেন জনপ্রতি ২০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় ৩০ মে বিমানবন্দর থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। সিআইডি মামলার আসামিদের নাম না জানালেও তাদের মধ্যে বিমানের আরেক কর্মকর্তা থাকার তথ্য মিলেছে। তবে মামলায় আকলাসুরের নাম ছিল না। সিআইডির তদন্তে তার জড়িত থাকার তথ্য বেরিয়ে আসায় আকলাসুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জাল ভিসায় বিমানে ওঠার আগে আইএনএস গেটে গেলে সেখানে দায়িত্বরত গ্রাউন্ড অফিসার আকলাসুর তাদের পার করিয়ে দিয়েছিলেন বলে তথ্য দেন বদরুল আলম মোল্লা। তিনি বলেন, যেহেতু ইমিগ্রেশন করা হয়েছিল নেপালগামী বোর্ডিং পাসে, তাই তাদের ইতালিগামী প্লেনে ওঠানোর জন্য শুধু আইএনএস গেটটাই ছিল। সেখানে আকলাসুর ছিলেন। তার সহায়তায় ওই তিনজন শেষ গেটটি পার হয়ে ইতালিতে পৌঁছেও যান। কিন্তু ইতালি ইমিগ্রেশন পুলিশ দুজনের জাল ভিসা শনাক্ত করে দেশে ফেরত পাঠায়।

বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল বলেন, মানব পাচারকারী চক্রের হোতা ও অন্য সহযোগীদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। শুধু দালাল চক্র, এয়ারলাইনসের অথবা আমাদের যে টিকেটিং এজেন্সি বা রিক্রুটিং এজেন্সি, তাদের মধ্যে আমরা তদন্তে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। সরকারি কর্মকর্তা বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান অথবা আমাদের সিভিল অ্যাভিয়েশন-সংক্রান্ত যারাই মানব পাচার বা অভিবাসী চোরাচালানের চেষ্টা করবে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করব।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা মৌখিকভাবে স্বীকার করেছেন আকলাসুর। যেহেতু তাকে জামালপুর থেকে আনা হচ্ছে, এরপর আমরা তাকে আদালতে পাঠাব। কিন্তু অন্য কোনো ঘটনার ব্যাপারে সে এখনো মুখ খোলেনি। এ ধরনের প্রতারণা এড়াতে ইমিগ্রেশন পুলিশের সঙ্গে বোর্ডিং পাসের লিস্টের ‘সমন্বয় থাকা উচিত’ বলেও মনে করেন এই কর্মকর্তা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!