× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ০৫:৫১ এএম

লিবিয়ায় জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়

মানব পাচারচক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ০৫:৫১ এএম

মানব পাচারচক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

লিবিয়ায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশিদের পাঠিয়ে জিম্মি করে দেশে থাকা স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তারকৃতের নাম রাব্বানী ফরাজী। গ্রেপ্তার রাব্বানী ফরাজীর বিরুদ্ধে মানব পাচারের মামলা ছাড়াও অর্থ পাচারের মামলা রয়েছে। গতকাল বুধবার সিআইডি সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান জানান, রাজধানীর কোতয়ালি থানায় একটি মামলার সূত্র ধরে খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকা থেকে সিআইডি ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট অভিযান পরিচালানা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল মামুন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নাম এসআই জহির রায়হান। 

সিআইডি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত রাব্বানী ফরাজী এবং তার ছোট ভাই রুবেল ফরাজী আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য। চক্রটির মূল হোতা তাদের বড় ভাই আউয়াল ফরাজী। তারা বাংলাদেশ থেকে ইতালি ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাওয়ার আগ্রহী ব্যক্তিদের টার্গেট করে নানা প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়ায় পাঠাত। সেখানে পৌঁছানোর পর ভুক্তভোগীদের অবৈধভাবে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হতো এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে মুক্তিপণের অর্থ আদায় করা হতো। সিআইডির তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে, মানব পাচার ও মুক্তিপণের অর্থের মাধ্যমে রাব্বানী ফরাজী এবং তার ভাই রুবেল ফরাজী নিজেদের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানিক হিসাবের মাধ্যমে প্রায় ৩০ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেন করেছেন। অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দিয়ে তারা খুলনা শহরে বহুতল ভবন নির্মাণসহ বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি অর্জন করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও বিধিমালা অনুসারে আসামিদের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের নামে অর্জিত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মানব পাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের উৎস, অর্থ পাচারের নেটওয়ার্ক, চক্রের অন্য সদস্যদের সম্পৃক্ততা এবং অবৈধ সম্পদের পরিমাণ নিরূপণের লক্ষ্যে সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!