× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিল্লাল হোসেন, যশোর

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৬:৩২ এএম

ওষুধের তীব্র সংকটে যশোর জেনারেল হাসপাতালে

বিল্লাল হোসেন, যশোর

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৬:৩২ এএম

ওষুধের তীব্র সংকটে যশোর  জেনারেল হাসপাতালে

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে অতি প্রয়োজনীয় অনেক ওষুধ, লিলেন সামগ্রী, গজ ও ব্যান্ডেজ শেষ হয়ে গেছে। সরকারের বিনামূল্যের ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নি¤œ আয়ের রোগীরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন টেন্ডারের ওষুধ সরবরাহ শুরু হলে সংকট কেটে যাবে।

জানা গেছে, যশোরসহ আশপাশের কয়েকটি জেলা ও উপজেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসাস্থল যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল। সরকারি এ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি রোগী ভর্তি থাকেন। বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৯০০ থেকে ১ হাজার রোগী চিকিৎসাসেবা নেন। দেশসেরা হাসপাতাল হিসেবে পরিচিতি থাকায় যশোর ছাড়াও নড়াইল, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার অনেক নি¤œ আয়ের মানুষ এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তাদের প্রধান লক্ষ্য স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়া।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গরিব রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারিভাবে ৮৪ ধরনের ওষুধ সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) ৪৪ ধরনের ওষুধ সরবরাহ করে। বাকি ৪০ ধরনের ওষুধ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্থানীয় অর্থায়নে টেন্ডারের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ ও ইনজেকশনের পাশাপাশি লিলেন সামগ্রী, গজ ও ব্যান্ডেজেরও তীব্র সংকট চলছে। সার্জারি, মেডিসিন, হৃদরোগ, গাইনি, অর্থোপেডিকস, শিশু, পেইং ও লেবার ওয়ার্ডের একাধিক রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনের তুলনায় খুব সামান্য ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। অধিকাংশ ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। তারা জানান, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেও বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা নি¤œ আয়ের পরিবারের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন সেফট্রিয়াক্সন, সেফ্রাডিন, হাইড্রোকরটিসন, ওমিপ্রাজল, মেট্রোনিডাজল, ক্যাসিনসহ বিভিন্ন ওষুধের সংকট রয়েছে। এ ছাড়া ক্যাপসুল সেফ্রাডিন, ক্লিনডামাইসিন, অ্যামোক্সিসিলিন, সেফিক্সিম, এনোক্সাপ্যারিন, অ্যালবেনডাজল, সিটিরিজিন, মন্টিলোকাস্ট, অফলোক্সাসিন, রাবিপ্রাজলসহ নানা ধরনের ট্যাবলেট ও সিরাপও শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসাসামগ্রীর মধ্যে সার্জিক্যাল গজ, ব্যান্ডেজ, ক্যাথেটার, মাইক্রোপোর, জিপসোনা, ক্রেপ ব্যান্ডেজ রোল ও সার্জিক্যাল গ্লাভসেরও সংকট দেখা দিয়েছে।

হাসপাতালের ফার্মেসির সামনে অপেক্ষমাণ রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা অনেকে প্রয়োজনীয় গ্যাসের ওষুধ ওমেপ্রাজল ও মন্টিলোকাস্ট পাচ্ছেন না। রোগীর চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এ সংকট তৈরি হয়েছে।

সূত্র জানায়, বহির্বিভাগে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার গ্যাসের ক্যাপসুলের চাহিদা রয়েছে। ওষুধের অভাবে ফার্মেসিতে দায়িত্বরত কর্মীদের রোগীদের ক্ষোভের মুখেও পড়তে হচ্ছে।

ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, কয়েক ধরনের ওষুধের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইডিসিএলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। নতুন টেন্ডারের ওষুধ এলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!