× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম

সাত বিষয়ে ফেল, শিক্ষকের কক্ষে তালা দিলেন বিএনপি নেতার ছেলে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম

নির্বাচনিতে সাত বিষয়ে ফেল করেও এসএসসি পরীক্ষায় সুযোগের দাবিতে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা। ছবি- সংগৃহীত

নির্বাচনিতে সাত বিষয়ে ফেল করেও এসএসসি পরীক্ষায় সুযোগের দাবিতে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা। ছবি- সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় এসএসসির নির্বাচনি পরীক্ষায় সাত বিষয়ে ফেল করায় মূল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ না পেয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার লিয়াকতগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মো. আরিফ ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। সে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজের ছেলে বলে জানা গেছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষার আগে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি পরীক্ষায় আরিফ সাত বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চারটির বেশি বিষয়ে ফেল করলে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) সকালে আরিফ স্কুলে এসে শিক্ষকদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে।

এক পর্যায়ে সে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজের সঙ্গে অসদাচরণ করে এবং প্রধান শিক্ষকের কক্ষসহ একটি কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। এ সময় স্কুল বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারিও দেয় সে। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় এক শিক্ষককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করে আরিফ।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ বলেন, ‘নির্বাচনি পরীক্ষায় চারটির বেশি বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছে। আরিফ সাত বিষয়ে ফেল করায় তাকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ করে এবং কক্ষে তালা দেয়।’

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আরিফ দাবি করে বলে, ‘সব বিষয়ে পাস করা ১৬ জন ছাড়া কাউকে পরীক্ষা দিতে দিলে আমাদেরও সুযোগ দিতে হবে। আমরা বারবার দাবি জানিয়েছি, কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে তালা দিয়েছি।’

এদিকে শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আমি এ ঘটনার বিষয়ে অবগত নই। আমার ছেলে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।’

এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, বিষয়টি এখনো তার নজরে আসেনি। তবে খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!