× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

তাড়াশে বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় বোরো ধান রোপণের এখন ভরা মৌসুম। শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত চলনবিল অঞ্চলের অংশ হওয়ায় এই এলাকায় বোরো ধানই প্রধান ফসল হিসেবে বিবেচিত। শীত উপেক্ষা করে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

তাড়াশ উপজেলা কৃষিপ্রধান এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানে শাক-সবজি, সরিষা ও ভুট্টার চাষ হলেও প্রধান ফসল ধান। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর থেকেই কৃষকরা জমিতে আগাছা পরিষ্কার করে বোরো চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করে রাখেন। বর্তমানে সেই জমিতেই পুরোদমে চলছে বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলনবিল অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে চলতি মৌসুমে ব্যাপক আকারে বোরো ধান চাষ হচ্ছে। বৃহত্তর চলনবিলে এই মৌসুমে প্রায় ১৭০ হ্যাক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ও মাধাইনগর এলাকার বিভিন্ন মাঠে কৃষকরা শীতের সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জমিতে কাজ করছেন।

মাঠে মাঠে চলছে হালচাষ, মই টানা, সার প্রয়োগ, জমির আইল নির্মাণ, পানি সেচ, বীজতলা থেকে চারা তোলা এবং ধান রোপণের কাজ। পুরুষ শ্রমিকদের পাশাপাশি নারী শ্রমিকরাও ধান লাগানোর কাজে অংশ নিচ্ছেন। অনেক সময় কৃষক ও শ্রমিকরা মাঠেই দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। তাড়াশসহ চলনবিল এলাকার প্রায় সব মাঠেই এখন এমন কর্মচাঞ্চল্য চোখে পড়ছে।

সগুনা ইউনিয়নের লালুয়া মাঝিড়া গ্রামের কৃষক আফসার আলী জানান, ‘তার ছয় বিঘা জমির মধ্যে চার বিঘায় ইতোমধ্যে বোরো ধান রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। সরিষার জমি ছাড়া বাকি জমিতে আগাম জাতের ইরি-বোরো ধান রোপণের প্রস্তুতি চলছে।’

তিনি বলেন, ‘সরিষা ঘরে তোলার পর পুরোদমে বোরো ধান রোপণের কাজ শুরু হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি বিঘা জমিতে ২৫ থেকে ৩০ মণ ধান পাওয়ার আশা করছি।’

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে তাড়াশ উপজেলায় ২২,৫১০ হ্যাক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫,৪৭০ হ্যাক্টর জমিতে ধানের চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। এ এলাকায় সাধারণত ব্রিধান-২৮ ও ২৯ ছাড়াও উন্নত জাতের ব্রি ধান-৫০, ৫৮, ৬৪, ৮১, ৮৪, ৮৯, ৯২, ৯৬ এবং বঙ্গবন্ধু-১০০ জাতের ধান চাষ করা হচ্ছে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেনগুপ্তা বলেন, ‘চলতি মৌসুমে বোরো ধানের চারা রোপণ শুরু হয়েছে। ধানের দাম ভালো থাকায় কৃষকরা বোরো ধান চাষে আগ্রহী হচ্ছেন এবং লাভবান হচ্ছেন।’

তিনি আরও জানান, ‘সরকারি উদ্যোগে এই মৌসুমে উপজেলায় ২,৩০০ জন কৃষককে ধানবীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।’

Link copied!