সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়ম খাতুন নামের এক তরুণীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভিডিওতে থাকা নারী নিজেকে ওই সংসদ সদস্যের স্ত্রী বলে দাবি করেন। পরে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক লিখিত বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলামও মরিয়মকে তার ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ বলে উল্লেখ করেন।
তবে এ দাবির মধ্যেই সামনে এসেছে মরিয়ম খাতুনের একটি বায়োডাটা, যেখানে তার বৈবাহিক অবস্থার ঘরে এখনো ‘অবিবাহিত’ লেখা রয়েছে। বায়োডাটাটিতে গত ২২ জুন তারিখে গাজী নজরুল ইসলামের স্বাক্ষর ও সুপারিশও রয়েছে।
বায়োডাটায় সংসদ সদস্যের স্বাক্ষরের ওপরে সবুজ কালিতে হাতে লেখা রয়েছে, ‘জোর সুপারিশ করছি।’ অথচ একই নথিতে মরিয়ম খাতুনের বৈবাহিক অবস্থার স্থানে ‘অবিবাহিত’ উল্লেখ করা হয়েছে, যা নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
অন্যদিকে, লিখিত বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, তাদের বিয়ে হয়েছে গত ১৭ জুন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পারিবারিকভাবে এবং তার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতেই এ বিয়ে সম্পন্ন হয়। তিনি আরও জানান, তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম মোসাম্মাৎ মরিয়ম আক্তার। তার বাবার নাম মাসুম বিল্লাহ। তাদের বাড়ি সাতক্ষীরার গাবুরা ইউনিয়নে হলেও বর্তমানে তারা ঢাকায় বসবাস করছেন।
তবে সংসদ সদস্যের দাবি অনুযায়ী ১৭ জুন বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পাঁচ দিন পর, অর্থাৎ ২২ জুন তার স্বাক্ষর করা বায়োডাটায় মরিয়মের বৈবাহিক অবস্থায় ‘অবিবাহিত’ উল্লেখ থাকায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বায়োডাটায় বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ উল্লেখ থাকার কারণ সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন