× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম

এনসিপি নেতা কাফিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম

এনসিপি নেতা কাফি। ছবি : সংগৃহীত

এনসিপি নেতা কাফি। ছবি : সংগৃহীত

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জমি দখল, চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি, তার বাবা এ.বি.এম. হাবিবুর রহমান এবং বড় ভাই মো. মামুনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম বাদী হয়ে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নুরুজ্জামান কাফি, তার বাবা ও ভাই ভেকু মেশিন, ভ্যান, কোদাল ও নির্মাণসামগ্রী নিয়ে বিদ্যালয়ের দাবি করা জমিতে প্রবেশ করেন। সেখানে মাটি কেটে জোরপূর্বক চলাচলের রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কয়েকজন সহকারী শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পাশাপাশি অশালীন আচরণ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে তারা প্রায় ছয় শতাংশ জমির মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণ করেন, এতে বিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী আব্দুর রহিম বলেন, বিদ্যালয়ের জমি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দখলে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়েছে।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নুরুজ্জামান কাফি। তিনি বলেন, তিনি আইনের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশাসন ও আদালতের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রত্যাশা করেন। তদন্তে যা সত্য প্রমাণিত হবে, দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তিনি তা মেনে নেবেন।

কাফির দাবি, তার বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি ও জমি দখলের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার কখনো সামনাসামনি কথাও হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা সাক্ষ্য দিতে পারবেন যে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।

তিনি আরও বলেন, যাদের কাছ থেকে তিনি জমি কিনেছেন, তারা উচ্চ আদালতসহ তিনটি আদালতে রায় পেয়েছেন। তাদের কাছ থেকেই তিনি প্রায় ছয় শতাংশ জমি চলাচলের রাস্তা নির্মাণের জন্য বুঝে নিয়েছেন এবং তাদের উপস্থিতিতেই রাস্তা নির্মাণ করেছেন। তিনি কোনো জমি দখল করেননি বলেও দাবি করেন।

পরিবারের সদস্যদের আসামি করার বিষয়ে কাফি বলেন, বিরোধপূর্ণ জমিটি তার নামে। সেখানে তার বাবা বা পরিবারের অন্য সদস্যদের কোনো মালিকানা বা সংশ্লিষ্টতা নেই। তারপরও তাদের আসামি করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ফেরদৌস মিয়া জানান, আদালত মামলাটি নথিভুক্ত করে কলাপাড়া থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

Link copied!