× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম

ঘরে তৈরি কেক বিক্রি করে আশা এখন সফল উদ্যোক্তা

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম

ঘড়ে বসেই কেক তৈরি করছে আশা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঘড়ে বসেই কেক তৈরি করছে আশা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কেক খেতে কে না পছন্দ করেন। ছোট থেকে বড়সবার কাছে কেক মানে আলাদা একটা ভালোলাগা। শুধু তাই নয়, বর্তমানে যেকোনো উপলক্ষে বা খুশির দিনে কেক কাটা হয়। জন্মদিনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বেকারির তৈরি কেকের তুলনায় বাড়িতে তৈরি কেকের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

ঘরোয়া পরিবেশে অনেক গৃহিণী পরিবার সামলানোর পাশাপাশি হয়েছেন সফল উদ্যোক্তা। আর এই কেক তৈরি করে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হয়েছেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মেয়ে আফসানা ইয়াসমিন আশা। শুধু এ কেক বিক্রি করে ঘরে বসে বর্তমানে মাসিক আয় গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।

কখনো কখনো তা উৎসবভেদে পৌঁছে যায় অর্ধলাখের ঘরে। একই সঙ্গে তিনি নিজের স্বপ্ন ছড়িয়ে দিচ্ছেন অন্য নারীদের মাঝেও। যারা উদ্যোক্তা হতে চান, নিজের পায়ে দাঁড়াতে চান, তাদের জন্য আশা এখন অনুকরণীয় এক নাম।

এ নারী ঘরে থাকা অলস সময় আর নিজের ইচ্ছাশক্তিকে পুঁজি করে ঘরে বসেই শুরু করেন এ ব্যবসা। শুরুর দিকে হাতেগোনা কয়েকটি কেক বিক্রি হলেও দমে যাননি ২৮ বছর বয়সী এ নারী উদ্যোক্তা।

জানা গেছে, সংসার সামলানোর পাশাপাশি ঘরে বসে কেক বানানো শখ আফসানা ইয়াসমিন আশার। শখের কাজটাকে তিনি কাজে লাগিয়ে বর্তমানে ঘরে বসে নিজের হাতের তৈরি কেক বিক্রয় করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। নিজের হাতের বানানো এই কেক বিক্রয় করে ইতোমধ্যে ব্যাপক সারা ফেলেছেন এই গৃহিণী। ২০২২ সাল থেকে হরেক রকমের কেক বানানো শুরু করেন।

সে সময় থেকে বিভিন্ন পারিবারিক ও দাপ্তরিক অনুষ্ঠান কিংবা উৎসবেও অনেকে তার কেক চান। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, তিনি ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী হুবহু ডিজাইনসংবলিত কেক তৈরি করে চমক লাগিয়ে দিতে পারেন।

এ জন্য অনেকেই আগে থেকে তার কেকের বুকিং দিয়ে রাখেন। বর্তমানে আশার একটি নিজস্ব অনলাইন ব্যবসার ফেসবুক পেজ রয়েছে। যার নাম ‘ভাঙ্গুড়া কেক টাইম আশা’। যেখানে তিনি কেক বিক্রয়ের জন্য নিয়মিত অর্ডার পান।

আশার হাতে তৈরি কেকের নিয়মিত গ্রাহক এস এস ফুড চ্যালেঞ্জের সত্বাধিকারী ইসমাইল হোসেন সম্রাট জানান, আপুর ঘরে বানানো কেকের তুলনা হয় না। আপুর প্রাকৃতিক উপকরণে বানানো বিভিন্ন ডিজাইনের কেক অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।

স্থানীয়রা জানান, আশা বিভিন্ন প্রকারের কেক তৈরি করতে পারেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্লাক ফরেস্ট, হোয়াইট ফরেস্ট, চকলেট, ভ্যানিলা, স্ট্রবেরি, লেমন, অরেঞ্জ বিভিন্ন ডিজাইনের কেক বেশি তৈরি করেন।

তাছাড়া বিয়ে, গায়ে হলুদ, ছোট বাচ্চাদের জন্মদিনের ডল কেক, ডোরিমন, কার কেকসহ বিভিন্ন কার্টুনের কেক বানাতে পারদর্শী তিনি। এ জন্য অনেকেই তার কেকের অর্ডার করে থাকে।

আফসানা ইয়াসমিন আশার স্বামী কমল সরকার জানান, তাঁর স্ত্রী এগিয়ে যাবেন এটা তিনি সব সময়ই চেয়েছেন। কেক তৈরির প্রতি স্ত্রীর আগ্রহ দেখে শুরু থেকেই তিনি উৎসাহ এবং সহযোগিতা করেছেন। ভবিষ্যতেও স্ত্রীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

নারী উদ্যোক্তা আফসানা ইয়াসমিন‌ আশা ‘রুপালী বাংলাদেশ’কে জানান, যে কোনো কাজে লেগে থাকলে সফলতা আসবেই। বিশেষ করে যে কাজটা নিয়ে আমরা সামনে অগ্রসর হতে চাই সে কাজের প্রতি ভালোলাগা থাকাটা জরুরি। কেক বিক্রির ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করতে চান। স্বাবলম্বী হওয়ার পেছনে অবদান রাখা তাঁর স্বামী, পরিবার, ক্রেতাসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই নারী উদ্যোক্তা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!