ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালন করা হয় রঙের উৎসব দোল। তাই এই উৎসবের আলাদা ধার্মিক গুরুত্ব রয়েছে।
সনাতনী ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, বৃন্দাবনে রাধা-কৃষ্ণ একসঙ্গে হোলি খেলে রঙিন হয়ে উঠেছিলেন। সেই প্রথা মেনে আজও দোল পূর্ণিমার তিথিতে দুপচাঁচিয়া উপজেলায় বেশ কিছু মন্দির থেকে রাধা-কৃষ্ণের ভক্তরা রঙের খেলায় মেতে ওঠেন। হয়ে ওঠেন রঙিন। দোল পূর্ণিমায় অনেকের মন্দিরে বিশেষ পূজা-অর্চনার আয়োজনও করা হয়। পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে পূজা না করলে সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি আসবে না।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপচাঁচিয়া পৌর এলাকার চৌধুরীপাড়ার গৌড় নিতাই আখড়ার মন্দিরে পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে পূজা ও দোল পূর্ণিমা অনুষ্ঠান হয়। দোল মানেই রঙের উৎসব, আনন্দের সমাগম। বিশেষ এই দিনটি সকলে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে রং খেলে আনন্দ মেতে ওঠেন। বহু বাড়িতে এই দিন রাধা-কৃষ্ণের পূজা করা হয়। পূর্ণিমা তিথির সঙ্গে দেবী লক্ষ্মীর বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন