× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নেত্রকোণা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ০৩:০২ পিএম

শ্বশুরবাড়ির স্বর্ণালংকার লুট করলেন বাবা-ছেলে

নেত্রকোণা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ০৩:০২ পিএম

বাবা-ছেলে আটক। ছবি : সংগৃহীত

বাবা-ছেলে আটক। ছবি : সংগৃহীত

নেত্রকোনায় নেশার টাকার জন্য বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির স্বর্ণালংকার লুট করার অভিযোগ উঠছে ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বাবা-ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। 

রোববার (৮ মার্চ) রাতে নেত্রকোনার মদন পৌরসভার শ্যামলী রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বরুণ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) ও তার ছেলে তরুণ চন্দ্র কর্মকার (২২)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও পৌরসভার বাসিন্দা অমূল্য চন্দ্র দাসের মেয়েকে বিয়ে করেন বরুণ চন্দ্র কর্মকারের ছেলে তরুণ চন্দ্র। বিয়ের দুই মাস পরেই তরুণ তার স্ত্রী ও বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির এলাকা মদনে চলে আসেন। কিছুদিন পরেই শ্বশুরের বাসার পাশে শ্যামলী রোড এলাকায় অনু মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। তরুণের বাবা মদন পৌরসভার মাতৃ জুয়েলার্সে কাজ করেন।

প্রায় এক সপ্তাহ আগে নেশার টাকার জন্য তরুণ ও তার বাবা বরুণ মিলে শ্বশুর অমূল্যর বাসা থেকে লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যান। রোববার (৮ মার্চ) রাতে পুনরায় নেশার টাকার জন্য শ্বশুরবাড়িতে স্বর্ণালংকার আনতে গেলে ধরা পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়। তারা স্বর্ণালংকার নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

বরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, টাকার চাপ ছিল। তাই স্বর্ণালংকার নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছি। এটা করা আমাদের ঠিক হয়নি।

তরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, আমি আগে নেশা করতাম, কিন্তু এখন আর নেশা করি না। আমার বাবা শ্বশুরের ঘর থেকে স্বর্ণালংকার চুরি করছে আরও এক সপ্তাহ আগে। এটা করা আমাদের ঠিক হয়নি।

অমূল্য চন্দ্র দাস জানান, আমার মেয়ের জামাই নেশাগ্রস্ত। বিয়ের পর মেয়ের অলংকার সব বিক্রি করে দিয়েছে৷ এখন আবার নেশার টাকার জন্য বাবা-ছেলে মিলে আমাদের ঘরের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে। আমি থানায় মামলা করব।

মদন থানার ওসি হাসনাত জামান বলেন, এ ঘটনায় বাবা-ছেলেকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!