× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নরসিংদী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০১:৩৬ এএম

শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত চাচি গ্রেপ্তার

নরসিংদী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০১:৩৬ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদীতে তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মামলার প্রধান আসামি চাচি ফারজানা আক্তার লতা বেগমকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১১ নরসিংদী ক্যাম্পের কমান্ডার মো. আরিফুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি নরসিংদী জেলার মাধবদী থানার একটি তিন মাস বয়সী শিশুর ওপর নির্মম নির্যাতনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশব্যাপী তীব্র জনমতের সৃষ্টি করে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুটির পায়ে গুরুতর আঘাত করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয় এবং সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রুজু করা হয়।

ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-১১, সিপিএসসি-৩ নরসিংদী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্তে কাজ শুরু করে। ছায়া তদন্ত, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন সূত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, মামলার প্রধান আসামি ফারজানা আক্তার (লতা) আত্মগোপনে রয়েছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ র‌্যাব-১১, সিপিএসসি-৩ নরসিংদীর একটি আভিযানিক দল নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত মামলার প্রধান আসামি ফারজানা আক্তার (লতা)-কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য তাকে মাধবদী থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে আপন চাচির হাতে তিন মাসের শিশুর ওপর অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় ১৪ জুলাই মঙ্গলবার রাতে মামলা দায়ের করা হয়। নরসিংদীর প্রবেশন অফিসার রিজা আক্তার বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এতে শিশুটির চাচি অভিযুক্ত লতা বেগমের পাশাপাশি তার স্বামী কাউসার আহমেদ এবং লতার বাবা আলমাছ মিয়াকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যেই লতা বেগমের স্বামী কাউসার আহমেদ ও বাবা আলমাছ মিয়া কারাগারে রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকে পলাতক ছিলেন চাচি লতা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!