শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ০৮:৫৯ এএম

আজ খোলা হলো পাগলা মসজিদের দানবাক্স

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ০৮:৫৯ এএম

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১১টি রহস্যময় দানবাক্স আজ শনিবার (৩০ আগস্ট ২০২৫) সকাল ৭টায় খোলা হয়েছে। দেশজুড়ে উৎসুক মানুষের নজর এখন এই দানবাক্সগুলোর দিকে, যেখানে জমা হয় লাখো ধর্মপ্রাণ মানুষের অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসা।

এর আগে গত ১২ এপ্রিল দানবাক্স খোলার সময় ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল, যার গণনা শেষে মোট দান হয় ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা। সঙ্গে ছিল প্রচুর স্বর্ণালঙ্কার, বৈদেশিক মুদ্রা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী।

প্রায় সাড়ে চার মাস পর এবার দানবাক্স খোলা হলো। সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী, এবার দানের পরিমাণ ১০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। সকাল থেকে শুরু হওয়া গণনার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় ৪০০ জন মসজিদ মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, জামিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকরা।

দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা, মসজিদ কমিটির সদস্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত অর্থ মসজিদের উন্নয়ন, গরিব-অসহায়দের সহায়তা, মাদ্রাসা-এতিমখানা পরিচালনা এবং সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হয়।

মসজিদ কমিটি জানিয়েছে, এই অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয় করা হবে ‘আন্তর্জাতিক মানের পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’ নির্মাণে, যেখানে একসঙ্গে ৬০,০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা।

নরসুন্দা নদীর তীরে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার হারুয়া এলাকায় অবস্থিত পাগলা মসজিদ বর্তমানে ৩ একর ৮৮ শতাংশ জমির ওপর বিস্তৃত। বর্তমানে মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ৬,০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন, নারীদের জন্য রয়েছে পৃথক নামাজের ব্যবস্থা।

জনশ্রুতি অনুযায়ী, ঈসা খাঁর বংশধর আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব দেওয়ান জিলকদর খান ওরফে `জিল কদর পাগলা’র নামানুসারে মসজিদটির নামকরণ করা হয়।

এই মসজিদ এখন কেবল একটি ধর্মীয় উপাসনালয় নয়- এটি হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের ধর্মীয় বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ এবং ঐতিহ্যের এক জীবন্ত প্রতীক। দেশজুড়ে মানুষের আগ্রহ এখন- এই দানবাক্স খুলে এবার কত টাকার রেকর্ড সৃষ্টি হয়, তার অপেক্ষায়।

Link copied!