× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভোলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

মধ্যরাত থেকে ২ মাস ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

ভোলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

ইলিশ মাছ ধরা হচ্ছে। ছবি : সংগৃহীত

ইলিশ মাছ ধরা হচ্ছে। ছবি : সংগৃহীত

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা সংরক্ষণের লক্ষ্যে মার্চ-এপ্রিল—এই দুই মাস দেশের ছয়টি নদী অঞ্চলে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে, যা চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর জেলার পদ্মা-মেঘনাসহ শরিয়তপুর, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল ও ভোলা জেলার নির্ধারিত নদী এলাকায় মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

জেলা প্রশাসন জানায়, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে আমিরাবাদ বাজার পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এবং হাইমচরের চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকায় জাল ফেলা, মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এমনকি সংশ্লিষ্ট এলাকার বরফকলগুলোও এ সময় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে নিবন্ধিত জেলেদের সহায়তা হিসেবে সরকার চার কিস্তিতে মোট ১৬০ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিতরণ করবে। তবে কেউ নির্দেশনা অমান্য করে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ধরা পড়লে কমপক্ষে এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, জাটকা ইলিশ সংরক্ষণে পদ্মা ও মেঘনা নদীর নির্ধারিত এলাকায় দুই মাসের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সময়ে জেলেদের জন্য ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। অসাধু জেলেরা যাতে কোনোভাবেই নদীতে নামতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর নির্ধারিত এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ বন্ধ থাকবে। অভয়াশ্রম কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলা টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। দুই মাসজুড়ে জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী যৌথভাবে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে।

Link copied!