× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ১১:৩৩ এএম

ঘুমন্ত বাবাকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করল মেয়ে

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ১১:৩৩ এএম

আহত বাবা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

আহত বাবা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে এক কলেজছাত্রী কর্তৃক তার নিজ জন্মদাতা বাবা বেলাল হোসেনকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে জখম করার খবর পাওয়া গেছে।

গত সোমবার (১১ মে) রাত আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে উপজেলার তালোড়া ইউনিয়নের খানপুর গ্রামে এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার রাতে রাতের খাবার শেষে পরিবারের সব সদস্য ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। গভীর রাতে বেলালের ছোট মেয়ে বগুড়া সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী মিম আক্তার (২০) হঠাৎ ধারালো বঁটি নিয়ে তার ঘুমন্ত বাবার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন।

আক্রমণের এক পর্যায়ে বেলাল হোসেনের একটি হাতের আঙুল শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগীর আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ও স্বজনরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত বেলাল হোসেনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

আহত বেলালের স্ত্রী মিনা বেগম বাকরুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, ‘সবাই খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। রাত সোয়া ১টার দিকে হঠাৎ চিৎকার শুনে দেখি মেয়েটা তার বাবাকে বঁটি দিয়ে কোপাচ্ছে। কেন সে এমন উন্মাদনা দেখাল, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।’

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে আহত বেলাল হোসেনের বড় ভাই মৃত হাতেম আলী সরদারের ছেলে মো. আমজাদ হোসেন সরদার বাদী হয়ে দুপচাঁচিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে দুপচাঁচিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আলহাজ জানান, পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হয়েছে, তবে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত মিম আক্তারকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাকে আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Link copied!