ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে বীজ-সার দিচ্ছে সরকার : কৃষিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম
ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষক ও খামারিদের পুনর্বাসনে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বন্যার কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সব ক্ষতি একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব না হলেও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিনসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকার শতভাগ গবাদিপশুকে ক্ষুরা রোগ (এফএমডি) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি যেসব পশুকে ছয় মাস আগে টিকা দেওয়া হয়েছে, তাদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পুনরায় ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, একটি গবাদিপশুর মৃত্যু একজন খামারির জন্য বড় ধরনের আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই গবাদিপশুকে রোগমুক্ত রাখতে দ্রুত ও কার্যকর ভ্যাকসিন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

সরকারি সহায়তা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বীজ, সার ও ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা অতিরিক্ত অর্থ আদায় বরদাশত করা হবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কোথাও অনিয়ম বা অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগের সময়ে সরকার ও সমাজ একসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ালে তারা নতুনভাবে জীবন ও জীবিকা গড়ে তোলার শক্তি পায়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।

সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।