× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৬, ১০:১৯ পিএম

সরিষাবাড়ীতে চড়ক পূজা ও মেলায় উপচে পড়া ভিড়

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৬, ১০:১৯ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজাকে কেন্দ্র করে সাত দিনব্যাপী ধর্মীয় ও লোকজ উৎসবের সমাপ্তি ঘটেছে। কালবৈশাখী মৌসুমকে ঘিরে আয়োজিত এ পূজা মহাদেবকে উৎসর্গ করে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের সোনাকান্দর এলাকায় এ উপলক্ষে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

শুক্রবার (১৫ মে) সোনাকান্দর সার্বজনীন কালী ও দুর্গা মাতা মন্দিরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত চড়ক পূজায় সকাল থেকেই ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। দিনভর চলে পূজা, আরাধনা ও বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান।

আয়োজক কমিটি জানায়, পুরোহিতদের বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এবারের চড়ক পূজায় চড়কদার হিসেবে অংশ নেন শ্রী গোপাল চন্দ্র রায় ও শ্রী পিন্টু বর্মন। তাদের চড়ক ঘোরানোর দৃশ্য দেখতে মেলা প্রাঙ্গণে হাজারো মানুষের ঢল নামে।

চড়ক পূজাকে ঘিরে বসে গ্রামীণ মেলা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নানা ধরনের পণ্য নিয়ে দোকান সাজান, যা উৎসবে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। উৎসবের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে।

চড়ক পূজায় অংশ নেওয়া শ্রী গোপাল চন্দ্র রায় বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও মানত নিয়ে আমরা পূজায় অংশ নিয়েছি। আমাদের বিশ্বাস, এই পূজার মাধ্যমে মনের আশা পূরণ হয় এবং বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনা করা যায়।’

অনুষ্ঠান দেখতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, চড়ক পূজা তাদের কাছে শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি আনন্দ ও ঐতিহ্যের এক মিলনমেলা। তারা প্রতিবছর এই আয়োজন অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

সরিষাবাড়ী থানার এসআই সুব্রত কুমার বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের এ প্রাচীন লোকজ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ তৎপর ছিল।’

আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক পিন্টু চন্দ্র বর্মন ও কুবের চন্দ্র বর্মন জানান, সোনাকান্দর গ্রামের দেবভক্তবৃন্দ ও শিব যুবসংঘ দীর্ঘদিন ধরে এই চড়ক পূজার আয়োজন করে আসছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এ পূজার মাধ্যমে দেব-দেবীর আশীর্বাদ লাভ করা যায়।

তারা জানান, এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজন ভবিষ্যতেও প্রতিবছর অব্যাহত থাকবে।

Link copied!