× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম

হরিণাকুণ্ডু হাসপাতালে বাড়ছে জলাতঙ্ক রোগীর চাপ

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম

হরিণাকুণ্ডু  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঝিনাইদহ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঝিনাইদহ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু হাসপাতালে জলাতঙ্ক রোগীর চাপ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই বিভিন্ন বয়সের মানুষ চিকিৎসা নিতে আসছেন। এতে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও জলাতঙ্ক টিকাদান কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালসহ জেলার ছয়টি সরকারি হাসপাতালে এবং পার্শ্ববর্তী চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার হাসপাতালেও র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। এমনকি ফার্মেসিতেও এটি পাওয়া যাচ্ছে না।

হাসপাতালে আসা একাধিক রোগী অভিযোগ করেছেন, সকালে এসে দুপুর বা বিকেল পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। শিশু ও বৃদ্ধদের সঙ্গে ভিড়ের মধ্যে অপেক্ষা করা খুব কষ্টকর। দ্রুত সেবা এবং পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন সরবরাহের দাবি জানানো হয়েছে।

চিকিৎসা নিতে আসা এক ভুক্তভোগী বলেন, হঠাৎ রাস্তায় চলার সময় একটি কুকুর কামড়ে দেয়। খুব ভয় পেয়ে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসি। এখানে এসে দেখি অনেক মানুষ টিকা নিতে অপেক্ষা করছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৩০ জন কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে বেশির ভাগই পোষা বিড়াল এবং পথকুকুরের কামড়ে আক্রান্ত। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে টিকা নিতে রোগীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

চিকিৎসকেরা জানান, কুকুর বা বিড়ালের কামড় কিংবা আঁচড়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি। ভ্যাকসিনটি মাংসপেশিতে প্রয়োগ করলে চার ডোজ, আর চামড়ার নিচে প্রয়োগ করলে তিন ডোজে কোর্স শেষ হয়। একবার কারো শরীরে জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ দেখা দিলে কার্যকর কোনো চিকিৎসা নেই, ফলে মৃত্যু প্রায় অনিবার্য।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক বলেন, জলাতঙ্ক একটি শতভাগ প্রাণঘাতী রোগ। কুকুরের কামড়কে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলমগীর হোসেন জানান, জলাতঙ্ক রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। ভ্যাকসিন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। জলাতঙ্ক প্রতিরোধে পথকুকুর নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। তা না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!