খুলনার কয়রায় পানির ট্যাংক বিতরণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর দুই কর্মীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইউনিয়ন কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও মিজান শেখ (৬৫) নামের এক কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (৩০ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আমাদী বাজারে অবস্থিত ১ নম্বর আমাদী ইউনিয়ন জামায়াত কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পানির ট্যাংক বিতরণ এবং সুবিধাভোগীদের তালিকা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে আমাদী ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী মিজান শেখ ও রবিউল ইসলামের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়।
অভিযোগ রয়েছে, রবিউল ইসলাম কার্যালয় থেকে বের হয়ে তার সমর্থকদের নিয়ে এসে মিজান শেখের ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর হয়ে এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের ঈদ শুভেচ্ছাবার্তাসংবলিত ব্যানার-পোস্টার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতের ২ নম্বর ওয়ার্ড ও আমাদী ইউনিয়ন কর্মপরিষদ সদস্য মো. নুরুজ্জামান বলেন, রবিউল ইসলাম স্থানীয় এমপির মাধ্যমে আটটি পানির ট্যাংক বরাদ্দ নিয়ে আসেন। এসব ট্যাংক কারা পাবেন এবং কীভাবে তালিকা করা হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা চলাকালে মিজান শেখ ও রবিউল ইসলামের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
আমাদী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ বলেন, ‘জামায়াত কার্যালয়ে ট্যাংক বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে কার্যালয়টি বন্ধ দেখতে পাই।’
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

