× UCB Sticker Card
সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৭, ২০২৬, ১০:৩০ এএম

জোরপূর্বক খাল ভরাট, কৃষি ও বসতিতে জলাবদ্ধতার শঙ্কা

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৭, ২০২৬, ১০:৩০ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের পশ্চিম পুড্ডা এলাকায় শত বছরের পুরোনো একটি খাল ভরাটকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পূর্বপুরুষদের আমল থেকে কৃষিকাজ ও পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত এই খালটি প্রভাবশালীদের দখল ও ভরাটের অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, খালটি ভরাট করে পানি চলাচলের স্বাভাবিক পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং কৃষিজমিতে সেচব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের মতে, খালটি এই অঞ্চলের কৃষির অন্যতম প্রধান অবলম্বন। এটি বন্ধ হয়ে গেলে অন্তত ২০০ থেকে ৩০০ কৃষক পরিবার সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়বে এবং তাদের জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আবুল বলেন, এই খালটি আমাদের কৃষির প্রাণ। এটি বন্ধ হয়ে গেলে অপূরণীয় ক্ষতি হবে। আমরা প্রতিবাদ করলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বহিরাগত লোকজন এনে জোরপূর্বক খাল ভরাট করা হয়েছে। এমনকি মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয়ও দেখানো হচ্ছে।

আরেক বাসিন্দা আবুল হোসেন অভিযোগ করেন, বাধা দেওয়ায় তাকে দুই লাখ টাকার চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় মোহাম্মদ আলী জানান, খালের জায়গা অবৈধভাবে ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করায় পানি চলাচলের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সেচব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা দোলেনা বেগম বলেন, বাপ-দাদার আমলের এই খালটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা চরম বিপদে পড়েছেন। বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জমি ও বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম জানান, একসময় এই খাল দিয়ে নৌ-চলাচল ও পানি নিষ্কাশন হতো। তবে ঈদের পরদিন প্রভাবশালীরা সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জোরপূর্বক খালটি ভরাট করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে জারইতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, একসময় এই খাল দিয়ে কটিয়াদী পর্যন্ত নৌ-যোগাযোগ ছিল।

তিনি দ্রুত খালটি দখলমুক্ত করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানান। তবে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে, খাল ভরাটের কোনো সুযোগ নেই।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!