× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ২০, ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম

অপহৃত মেয়ের ছবি হাতে অঝোরে কাঁদছেন বাবা-মা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ২০, ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

‘আমি কিচ্ছু চাই না, শুধু আমার মেয়েটাকে ফেরত চাই। কতোদিন হলো মেয়েটার মুখ দেখি না। বুকটা ফেটে যাচ্ছে।’ এভাবে কথাগুলো বলতে বলতেই মেয়ের ছবি বুকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন কৃষক আলতাফ মন্ডল।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকার এই কৃষক পরিবারের দাবি, প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে তাদের মাদরাসা পড়ুয়া মেয়ে খুকুমণিকে (১৫) অপহরণ করা হয়েছে। তবে মামলা নথিভুক্ত হয়েছে গত ৩ এপ্রিল। মামলা হলেও এখন পর্যন্ত মেয়ের কোনো খোঁজ মেলেনি, গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্তরাও। ফলে চরম হতাশা ও আতঙ্কে দিন কাটছে পরিবারটির।

কৃষক আলতাফ মন্ডল বলেন, ‘গরীব মানুষ বলে কি আমরা বিচার পাবো না? আমার মেয়েটা কোথায় আছে? কি অবস্থায় আছে- কিছুই জানি না। শুধু একবার মেয়েটাকে দেখতে চাই।

খুকুমণির মা সাহেরা বেগম বলেন, ‘পূর্ব শত্রুতার জেরে আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে। থানা আর কোর্টে মামলা করেছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হলো না। আমার মেয়েটা বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে সেটাও জানি না। আমি শুধু আমার মেয়েকে ফিরে চাই।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে উলিপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন সাহেরা বেগম। মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে ওই এলাকার হৃদয় হোসেন, মজিবর রহমান, মজিদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও ছালমা বেগমকে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। তবে পুলিশ বলছে, আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল মিয়া বলেন, একটি কৃষক পরিবারের মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এতদিনেও বিচার না পাওয়া খুবই দুঃখজনক। আমরা দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও মেয়েটিকে উদ্ধারের দাবি জানাই।

এ বিষয়ে সাহেবের আলগা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও র‍্যাব যৌথভাবে কাজ করছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া বাদীপক্ষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এদিকে প্রতিদিন মেয়ের একটি ছবি হাতে নিয়ে অপেক্ষা করেন বাবা-মা। কখন দরজায় কড়া নাড়বে তাদের আদরের খুকুমণি, সেই আশাতেই দিন গুনছে অসহায় কৃষক পরিবারটি।

Link copied!