× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের মামলা, পরিবারের দাবি ষড়যন্ত্র

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম

রিপন মজুমদার। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রিপন মজুমদার। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরের দত্তপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রিপন মজুমদারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দায়ের করা মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষককে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের সদস্য, কয়েকজন অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক সদস্য।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মায়া বেগম, কয়েকজন অভিভাবক, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং মামলার বাদীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জারিন সুলতানা সোহা। তার ভাষ্য, ওইদিন গণিত বিষয়ে প্রাইভেট ক্লাস চলাকালে কয়েকজন শিক্ষার্থী পড়া না পারায় শিক্ষক বেত্রাঘাত করেন। তবে তিনি কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ বা অভিযোগে উল্লিখিত আচরণ দেখেননি। তার দাবি, শিক্ষককে ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্র হতে পারে।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ফারিহা আক্তার রোমানা বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষক রিপন মজুমদারের কাছে পড়েছেন তিনি। তার আচরণে কখনো অসঙ্গতি দেখেননি। মিথ্যা অভিযোগে তাকে শাস্তি দেওয়া হোক, তা তারা চান না।

অভিভাবক ফখরুদ্দিন শাহীন দাবি করেন, রিপন মজুমদার একজন দক্ষ শিক্ষক। তার দুই মেয়েকেও তিনি দীর্ঘদিন পড়িয়েছেন। কখনো কোনো অভিযোগ শোনেননি। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানান তিনি।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মায়া বেগম বলেন, রিপন মজুমদারের কাছে অনেক শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়ে। এ কারণে কিছু শিক্ষক তার প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করতেন বলে শুনেছেন। তার দাবি, ঘটনাটি পরিকল্পিত হতে পারে।

শিক্ষকের স্ত্রী নিপা রাণী মজুমদার অভিযোগ করেন, তার স্বামীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। গত ১৪ বছরে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ওঠেনি। প্রাইভেট পড়ানোকে কেন্দ্র করে হিংসা থেকেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মামলার বাদী এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানেন বলে উল্লেখ করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল সোবহান প্রাইভেট পড়ানো নিয়ে কোনো দ্বন্দ্ব বা হিংসার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, অভিযোগটি শিক্ষার্থীর মা করেছেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এ ঘটনায় কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দত্তপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই মিজানুর রহমান জানান, মামলার পর শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। ঘটনার সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২২ মে বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় অষ্টম শ্রেণির ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ানোর সময় শিক্ষক রিপন মজুমদার তাদের বেত্রাঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একই ঘটনায় এক শিক্ষার্থীকে অশোভন অঙ্গভঙ্গি ও অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ করার অভিযোগ এনে ২৪ মে তার মা চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!