× UCB Sticker Card
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম

উপজেলার হাসপাতালগুলো ১০০ শয্যায় উন্নীতর পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম

শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি : সংগৃহীত

শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি : সংগৃহীত

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৪০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড এবং ৪০ লাখ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। বিএনপি জনগণের জন্য রাজনীতি করে। জনগণের কল্যাণে তৈরি করা বাজেটকে যারা গণবিরোধী বাজেট কিংবা ‘চানাচুরের বাজেট’ বলে আখ্যা দেয়, তাদের বক্তব্য থেকেই বোঝা যায় তারা জনগণের জন্য রাজনীতি করে না।

তিনি বলেন, যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করে তারা সংসদের ভিতরে হোক কিংবা বাহিরে হোক তাদের ব্যাপারে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতেই বিএনপি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিও সেই উদ্যোগের অংশ।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে যেভাবে জনগণের অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে, তা আর হতে দেওয়া হবে না। সেই অর্থ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজে লাগানো হবে। এছাড়া আমরা দেখেছি কীভাবে জনগণের অর্থ ১৭ বছর ধরে এই দেশ থেকে পাচার হয়ে গেছে। জনগণের অর্থ জনগণকে না দিয়ে একটি দল বিদেশে পাচার করে দিয়েছিল। এই জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না আমরা।

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচির অর্থের উৎস নিয়ে বিভিন্ন মহলের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ও পাচার বন্ধ করতে পারলে এই কার্যক্রম পরিচালনায় অর্থের কোনো সংকট হবে না। চা শ্রমিকদের গৃহনির্মাণ অনুদান, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও প্রতিবন্ধী মানুষের চিকিৎসা সহায়তার মতো কর্মসূচি আগের কোনো সরকার করেনি বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশে যদি অস্থিরতা তৈরি হয়, তাহলে এই সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমগুলো অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে না। তাই যারা দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়, তাদের বিষয়ে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে। জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে পারবে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কেউ নষ্ট করতে পারবে না।'

বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যতবারই দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে, জনগণ ধানের শীষকে বিজয়ী করেছে। কারণ বিএনপি সব সময় জনগণের কাতারে থেকেছে। তিনি খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সংকটের সময় অনেকে দেশ ছেড়ে গেছেন, কিন্তু খালেদা জিয়া কখনো বাংলাদেশের মানুষকে রেখে কোথাও যাননি।

অনুষ্ঠানে ৫০ জন নারী চা শ্রমিককে গৃহনির্মাণের জন্য দুই লাখ টাকা করে অনুদানের চেক, চা শ্রমিক পরিবারের ১৫০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতারা।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে মাঠে জড়ো হন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। চা শ্রমিক, আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যসহ সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

Link copied!