× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নড়াইল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম

স্বামীর মৃত্যু, বাড়ি ছাড়া করা হলো ফারহানাকে

নড়াইল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে সন্তানসহ ফারহানা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ননদ, শাশুড়ি ও ভাসুরের বিরুদ্ধে।

রোববর (১৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এর প্রতিবাদে লোহাগড়া প্রেসক্লাবে একমাত্র কিশোর সন্তানকে সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ফারহানা আক্তার বলেন, ২০০৯ সালে লক্ষীপাশা গ্রামের মৃত রুহোল মোল্যার ছেলে মো. মুকুল মোল্যার সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ননদ, শাশুড়ি ও ভাসুর তাকে যৌতুকের জন্য সীমাহীন চাপসহ বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। এ অবস্থায় বিয়ের এক বছর পরে ফারদিন নামে এক পুত্র সন্তান জন্ম নে, যার বয়স এখন ১৪ বছর এবং স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এ সময় তিনি আরও বলেন, জীবিকার তাগিদে আমার স্বামী বিভিন্ন সময়ে একেক স্থানে চাকরি করেছেন। সর্বশেষ লোহাগড়া পৌর এলাকার রামপুর নিরিবিলি পিকনিক স্পটে টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ নেন। গত ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট কর্মস্থলে দর্শনার্থীদের সাথে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে বাড়ি এসে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানসহ শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করলেও গত ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ননদ রিনা পারভিন, সুমি বেগম, শাশুড়ি লিলিয়া বেগম, ভাসুর বাবুল মোল্যা পরস্পর যোগসাজগে সন্তানসহ আমাকে ঘর থেকে বের করে দেয়। এ সময় আমার ব্যবহৃত স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রী রেখে ঘর থেকে তাড়িয়ে দেয়।

বর্তমানে তিনি একমাত্র সন্তান ফারদিন মোল্যাকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। সন্তানের পড়াশোনা, বাসাভাড়া ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। সহানুভূতির ভিত্তিতে লোহাগড়ার নিরিবিলি পিকনিক স্পটে স্বল্প বেতনে চাকরি দিয়েছেন মালিকপক্ষ। সেখান থেকেও তাড়ানোর জন্য তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বামীর বসতভিটায় ফিরে যেতে আইনগত অধিকার অনুযায়ী বসবাসের সুযোগ ও প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সমাজের সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেছেন ফারহানা আক্তার নামের ওই নারী।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!