× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ০৬:২০ পিএম

গানের ক্লাসে ডেকে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ, নারীসহ আটক ২

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ০৬:২০ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নাটোরের বড়াইগ্রামে গানের ক্লাসে ডেকে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন শিক্ষক। বুধবার (২২ এপ্রির) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নগর ইউনিয়নের মশিন্দা বাজারস্থ সুরের সাথী সঙ্গীত ক্লাবে এই ঘটনা ঘটে। ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই গানের শিক্ষকের নাম মিঠুন মোল্লা (২৬)। তিনি উপজেলার নগর মশিন্দা গ্রামের আক্কাস আলী মোল্লার ছেলে। এ ঘটনার পর থেকে মিঠুন মোল্লা পলাতক।

পুলিশ ধর্ষণে সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত মিঠুনের বড় ভাই খায়রুল মোল্লা (৪৫) ও অপর এক সহযোগী নারী শিল্পী মেঘলা আক্তার (২৩)-কে আটক করেছে। মেঘলা একই গ্রামের মারুফত ইসলামের মেয়ে।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, রাত ১০টার দিকে গানের শিক্ষক মিঠুন মোল্লা প্রোগ্রামের জন্য গানের অনুশীলন করতে হবে বলে উপজেলার বনপাড়া পৌর শহরের দিয়ারপাড়া এলাকায় বসবাসকারী এক ছাত্রী (১৪)-কে তার সুরের সাথী সঙ্গীত ক্লাবে ডেকে নেয়। সেখানে মিঠুনের বড়ভাই খায়রুল ও অপর নারী শিল্পী মেঘলা উপস্থিত ছিলেন। তারা ক্লাবের মূল ফটক বন্ধ করে অনুশীলন করছিল। এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বড় ভাই খায়রুল ও নারী শিল্পী মেঘলা মিউজিক বাজিয়ে গানের অনুশীলন করছিল। এ সময় তাদের পেছনের দিকে ফ্লোরে ওই ছাত্রীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় মিঠুন। নিজেকে বাঁচাতে খায়রুল ও মেঘলার কাছে বারবার সাহায্য চাইলেও তারা দেখেও না দেখার ভান করে বলে জানায় ওই ছাত্রী। প্রায় ১০ মিনিট ধরে গানের শিক্ষক মিঠুন ওই ছাত্রীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। পরে এ ঘটনা জানালে তাদের কাছে এই ভিডিও আছে ছড়িয়ে দেবে ফেসবুকে- এই ভয় দেখিয়ে চুপচাপ থাকতে বলে। কিন্তু ক্লাব থেকে বের হওয়ার পর ওই ছাত্রীকে অসুস্থ অবস্থায় দেখার পর স্থানীয়রা জিজ্ঞাসা করলে সে সব খুলে বলে। পরে অপরাধী ওই তিনজনকে আটক করে জনগণ। কিন্তু তারা এক পর্যায়ে ছুটে পালিয়ে যায়। সকালে ছাত্রীর অভিভাবক থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে। এ সময় মূল আসামি মিঠুন মোল্লাকে এলাকায় পাওয়া যায়নি।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম জানান, ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। আটককৃত দুই সহযোগীকে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মূল আসামিকে আটক করতে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!