ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

জামায়াতের প্রচারে বিএনপির বাধা, মারধরে আহত ১০

পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পাবনা-২ সংসদীয় আসনের সুজানগর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর প্রচারে বাধা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুই নারী কর্মীসহ অন্তত দশজন আহত হয়েছেন। আহতদের সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের রায়পুর মাঝপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- সুজানগর উপজেলা জামায়াতের ওলামা বিভাগের সভাপতি হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হাফেজ আমিনুল ইসলাম শিমুল, পৌর ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা ইনামুল হক এবং জামায়াতের নারী কর্মী মার্জিয়া খাতুন, ফিরোজা বেগম প্রমূখ।

আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাওলানা রফিকুল ইসলামের বাড়িতে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভোটের প্রচার চালাতে গেলে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রথমে নারী কর্মীদের বাধা দেন।

একপর্যায়ে নারী কর্মীদের মারধর করা হলে পাশে থাকা পুরুষ কর্মীরা এগিয়ে গেলে তাদেরও এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়াও চর সুজানগর পৌর এলাকা এবং আহমদপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামেও জামায়াতের কর্মীদের প্রচারে বাধা ও মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এদিকে এসব ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।

এ বিষয়ে পাবনা-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান বলেন, শনিবার সুজানগরে একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনার কথা আমরা জানতে পেরেছি। ইতোমধ্যে স্বপ্রণোদিতভাবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাবনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব বলেন, জামায়াতের প্রচারে বাধা দেওয়ার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।