× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারির বেতন নিয়ে নতুন খবর

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম

মাউশির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

মাউশির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত প্রায় পৌনে চার লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন-ভাতা পাওয়ার প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) যেকোনো সময় বেতনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে। 

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) অধিদপ্তরের এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের প্রায় ১৯ হাজার এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজ থেকে অনলাইনে বিল দাখিলের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ছাড়াও যেসব বকেয়া বিল রয়েছে, সেগুলো একত্রিত করে সমন্বিত প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে।

একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘বেতন বিলের তথ্য প্রস্তুত। যাচাই-বাছাই প্রায় শেষ। খুব দ্রুতই তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।’

প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা অনলাইনে বেতন বিল দাখিল করেন। এরপর তা যাচাই করে মাউশি অধিদপ্তর থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বাজেট শাখায় পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর প্রস্তাব যায় অর্থ মন্ত্রণালয়-এ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন মিললে এজি অফিসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি বেতন-ভাতা পাঠানো হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় একাধিক দপ্তরের সমন্বয় প্রয়োজন হওয়ায় সময়সাপেক্ষ হলেও বর্তমানে ডিজিটাল ব্যবস্থার কারণে আগের তুলনায় গতি বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে প্রদানের লক্ষ্যে ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদন প্রক্রিয়া চালু করেছে। ইএমআইএসের মাধ্যমে অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই হওয়ায় কাগজপত্রের জটিলতা কমেছে এবং ভুলত্রুটি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে বেতন প্রক্রিয়াকরণ আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হয়েছে। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের ভোগান্তিও আগের তুলনায় কমেছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন শেষে অল্প সময়ের মধ্যেই ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন শিক্ষকদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছেন দেশের হাজারো এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী।

Link copied!