× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম

যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পেতে যাচ্ছে ৬ হাজার কোটি টাকা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম

শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছবি : সংগৃহীত

বিগত সরকারের আমলে বিএনপি সংশ্লিষ্ট নাম থাকার কারণে বঞ্চিত ২ হাজার ৭০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কারকাজ করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, যা নিয়ে কাজ করছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উন্নয়নবঞ্চিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে। প্রতিটি সংসদ সদস্য তার নিজ এলাকার অবকাঠামোগতভাবে পিছিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ডিও লেটারের মাধ্যমে আবেদন করবেন। একজন এমপি সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ এবং ছয়টি প্রতিষ্ঠানে সংস্কারের প্রস্তাব দিতে পারবেন।

তালিকা পাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর যৌথভাবে প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করবে। নতুন সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার মধ্যেই প্রকল্প অনুমোদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. তারেক আনোয়ার জাহেদী বলেন, উন্নয়নবঞ্চিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। ঈদের ছুটির পর প্রকল্প আকারে কাজ শুরু হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে তিন স্তরের কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের জরুরি সংস্কার, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বৃক্ষরোপণের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় রয়েছে ৪ হাজার ৭৬১টি স্কুল ও কলেজে নতুন ভবন নির্মাণ, ৫ হাজার ৪১টি প্রতিষ্ঠানের ভবন সম্প্রসারণ, ১ হাজার ৯৯টি বেসরকারি কলেজ উন্নয়ন, ৩২৫টি স্কুল ও ৩৪৩টি জাতীয়করণ করা কলেজ উন্নয়ন, পলিটেকনিক ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন এবং মাদরাসা অবকাঠামো সম্প্রসারণ।

তবে বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজের অভাব, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা এবং জনবল সংকট উল্লেখযোগ্য।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতে বিভিন্ন কারণে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বর্তমান সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেবে এবং যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!