মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাস্তায় যানবাহনের চাপ কমাতে এবং জ্বালানি খরচ সাশ্রয় করতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কলেজগুলোতে তিনদিন অনলাইনে ও তিনদিন সশরীরে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েওর কার্যক্রম বন্ধ করে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক নেতাদের সাথে আলোচনা সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী অনলাইন ক্লাসের পরিকল্পনার কথা জানান। তবে অনলাইনে ক্লাস করতে চান না প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তারা অনলাইনে ক্লাস নেওয়া কষ্টসাধ্য বলে জানান।
আলোচনা সভা সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী প্রাথমিকভাবে ছয় দিন ক্লাস রেখে এর মধ্যে জোড়-বিজোড় মিলিয়ে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীর পাঠদানের পরিকল্পনার কথা জানান। অর্থাৎ শনিবার যদি অনলাইন ক্লাস হয়, তাহলে রোববার অফলাইন ক্লাস হবে। এভাবে একদিন অনলাইন ক্লাস হলে তার পরদিন সশরীর ক্লাসের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
মন্ত্রীর এমন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার পর শিক্ষকরা অনলাইন ক্লাসের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন। তারা জানান, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা ডিভাইস ব্যবহার করতে জানে না। অনেক পরিবারের পক্ষে শিশু শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে যুক্ত করা সম্ভব হবে না। এ সময় শিক্ষকদের অনেকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে অনলাইন ক্লাসের ডিভাইসের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেন, ‘আপনারা একদিন অপেক্ষা করুন। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সিদ্ধান্ত জানতে পারবেন।’


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন