রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১১:৫৪ পিএম

হলুদ হেলমেট কারা, কেন পরে?

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১১:৫৪ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

শিল্প কারখানায় বা নির্মাণস্থলে কাজ মানেই ঝুঁকি। দুর্ঘটনা সেখানে প্রায়ই ঘটে থাকে। আর এই ঝুঁকির সবচেয়ে বড় অংশ জড়িয়ে থাকে মাথার সঙ্গে। তাই শ্রমিকদের জন্য সেফটি হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক।

হেলমেট কেবল আকস্মিক আঘাত থেকে রক্ষা করে না, তীব্র রোদ বা অন্যান্য ঝুঁকি থেকেও সুরক্ষা দেয়। ভারি সেফটি হ্যাটের তুলনায় আধুনিক হেলমেটগুলো হালকা এবং ভেতরে আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকায় পরতে আরামদায়ক অর্থাৎ দমবন্ধ লাগার আশঙ্কা কম।

তবে সেফটি হেলমেট কেবল সুরক্ষা বা আরামের জন্য নয়; এগুলো ব্যবহার করার পেছনে রয়েছে আরেকটি তাৎপর্য। প্রতিটি হেলমেটের রং আসলে আলাদা বার্তা বহন করে। কার কী দায়িত্ব বা কোন পরিস্থিতিতে কাকে খুঁজতে হবে, তা অনেক সময় হেলমেটের রং দেখেই বোঝা যায়। ফলে শুধু শ্রমিক নয়, নির্মাণস্থলের বাইরের কেউ চাইলে সহজেই পরিস্থিতি অনুধাবন করতে পারে।

সাদা হেলমেট: সাদা রঙের সেফটি হেলমেট সাধারণত ওই কর্মক্ষেত্রে যুক্ত থাকা শীর্ষস্থানীয় বা নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিরা ব্যবহার করেন। এক্ষেত্রে সাইট ম্যানেজার, প্রকৌশলী ইত্যাদি হতে পারে। এমন লোকেদের যাতে সহজে চিহ্নিত করা যায় সেজন্য তাদের হেলমেটের রঙ সাদা।

লাল হেলমেট: সাধারণত লাল রঙকে বিপদের সংকেত হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তাই এই ক্ষেত্রেও কোথাও আগুন লাগলে কেবল অগ্নিনির্বাপকদেরই লাল হেলমেট পরতে দেখা যায়। আপনি কেবল ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীদেরই লাল হেলমেট পরতে দেখবেন।

সবুজ হেলমেট: সবুজ মানেই সাধারণত নিরাপদ এবং ইতিবাচক কিছু। এই রঙ দ্বারা বোঝানো হয় নতুনত্বকে। তাই হয়তো এই রং এর হেলমেট পরেন দু ধরনের কর্মীরা। সেফটি ইন্সপেক্টর বা নিরাপত্তা পরিদর্শক এবং সাইটে কাজ করতে আসা নতুন বা প্রশিক্ষণ কর্মীরা।

নীল হেলমেট: নীল রঙের হেলমেট থেকে সাধারণত ওই কর্মীর পেশাগত অবস্থান ও দক্ষতা সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়। মূলত ইলেকট্রিশিয়ান, টেকনিশিয়ান বা কারিগরি ঝুটঝামেলায় যারা যুক্ত তাদের জন্য হচ্ছে নীল রঙের সেফটি হেলমেট।

হলুদ হেলমেট: সাধারণত কায়িক শ্রমিকদের সেফটি হেলমেটের রঙ হচ্ছে হলুদ। এই ধরনের শ্রমিকরা সাধারণত ভারী মেশিন অপারেটর করে থাকেন। এছাড়াও হলুদ রঙের হেলমেটের আরেকটি উদ্দেশ্য হচ্ছে এই শ্রমিকদের যাতে পরিশ্রমের সময় বিরক্ত না করা হয়।

কমলা হেলমেট: সাধারণত কমলা হেলমেট তারাই ব্যবহার করেন যারা প্যাকিং, গাড়ি থেকে মাল উঠানামা ইত্যাদি কাজ করে থাকেন। কাজের সময় মাল বহনকারী ক্রেন অপারেটররা যাতে তাদের সহজে খুঁজে নিতে পারেন সেজন্য এমন চোখে পড়ার মতো রঙের হেলমেট পরতে দেওয়া হয়।

Link copied!