× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম

গণভোটের প্রচারণায় ইমামসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হবে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ছবি- সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ছবি- সংগৃহীত

আসন্ন গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমে সারা দেশের মসজিদের ইমামসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

শফিকুল আলম বলেন, শুক্রবার জুমার নামাজের খুতবায় কীভাবে গণভোটের গুরুত্ব এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা যায়, সে বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি জনগণকে গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার আরও বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি জানান, ধর্ম মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে প্রায় ৫০০ জন আলেমের সঙ্গে বৈঠক করেছে এবং তাদের গণভোটের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আলেমদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে দেশের ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও প্রায় ৭৭ হাজার মক্তবকে এই কার্যক্রমে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব মক্তবে মূলত ইমামরাই প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা দিয়ে থাকেন।

প্রেস সচিব বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় চার লাখ মসজিদ রয়েছে, যার মধ্যে ঢাকাতেই রয়েছে চার হাজারের বেশি মসজিদ। এসব মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে গণভোট বিষয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়—মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী ও শায়েখ আহমদুল্লাহর নাম উঠে আসে। বৈঠকে ধর্ম উপদেষ্টা, মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। গণভোটের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে হাজার হাজার লিফলেট ছাপানো হচ্ছে, যা সারা দেশে বিতরণ করা হবে।

শফিকুল আলম বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে গণভোটের বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই বার্তাগুলো প্রচার করা হচ্ছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই প্রচারণা আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সরকার আশাবাদী যে দেশের একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষও গণভোটের বার্তা পাবে। কেন ‘হ্যাঁ’ ভোট গুরুত্বপূর্ণ এবং কেন জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এই গণভোট প্রয়োজন—সেই বিষয়গুলো জনগণের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হবে। তার মতে, এই গণভোটের মাধ্যমে আগামী শতাব্দীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হবে।

প্রেস সচিব বলেন, ১৯৭৭ সালের গণভোটের সময় দেশের সাক্ষরতার হার ছিল প্রায় ২৭ শতাংশ, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমের বিস্তারের ফলে এখন প্রত্যন্ত এলাকাতেও মানুষ ইউটিউব ও টিকটকের মাধ্যমে তথ্য পাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে গণভোট সংক্রান্ত বার্তাগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এবং মানুষ সেগুলো ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করছে বলেও জানান তিনি।

Link copied!