× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম

‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ থাকবে না—খবরটি গুজব

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। ছবি- সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। ছবি- সংগৃহীত

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—যেখানে দাবি করা হচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনার শুরু থেকে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বা আল্লাহর নাম বাদ দেওয়া হবে। এ দাবির ভিত্তিতে একটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, এটি সম্পূর্ণ গুজব, এবং এর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

প্রেস উইং জানিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন গণভোটে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ হিসেবে নিজের মতামত জানাবেন। তবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ বা ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস’ থাকবে না—এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাব নেই। প্রকৃতপক্ষে সংবিধানের প্রস্তাবনার শুরু থেকে ধর্মীয় অংশ বাদ দেয়ার কোনো সুপারিশ জুলাই জাতীয় সনদে বা গণভোটের প্রশ্নে অন্তর্ভুক্ত নয়।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংবিধানের সংস্কারের তফসিলে রাষ্ট্রধর্ম সংক্রান্ত প্রস্তাবনায় দুটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে — একটি সুপারিশ বর্তমান রাষ্ট্রধর্মের বিধান অপরিবর্তিত রাখা এবং অন্যটি সুপারিশ সংবিধানের শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বা আল্লাহর নামে বাক্যটি অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে। উভয়ই ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধকে সংবিধানে ধরে রাখার লক্ষ্যে করা হয়েছে। এতে কোনোভাবেই বোঝানো হয়নি যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে ধর্মীয় অংশ বাদ যাবে।

প্রেস উইংয়ের বরাত মতে, সংবিধানের সংস্কারের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত জুলাই জাতীয় সনদ‑২০২৫ সম্পর্কিত পিডিএফ দলিলেও আলোচিত দাবিটির কোনো উল্লেখ নেই। সেখানে সংবিধান সংস্কারের বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার রক্ষার মতো মৌলিক নীতিগুলোর উল্লেখ আছে।

গণভোটে যে প্রশ্নটি ভোটারদের সামনে আসবে তা হবে: “আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং এতে অন্তর্ভুক্ত প্রস্তাবগুলোর প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?”—এ রূপে, ভোটার ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটে নিজদের মত প্রকাশ করবেন। আলোচিত দাবির মতো সংবিধান থেকে ‘বিসমিল্লাহ’ বা ধর্মীয় অংশ তুলে নেওয়ার কোনো বিষয় সেখানে অন্তর্ভুক্ত নেই।

সুতরাং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো “গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ বা ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস’ থাকবে না”—এ ধরনের দাবিটি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর এবং তা গুজবে ভিত্তি করে ছড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্র ও ডিসেম্বরে প্রকাশিত পিডিএফ দলিলের প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, সংবিধানের ধর্মীয় অংশ সংরক্ষণই প্রধান লক্ষ্য।

Link copied!