মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, ধোলাইখাল রোড এবং সুভাষ বোস অ্যাভিনিউয়ের অবৈধ দখল উচ্ছেদে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকা-৬ আসনের এই দুই সড়কের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
ইশরাক হোসেন বলেন, ধোলাইখাল রোডের বিভিন্ন অংশ অবৈধভাবে দখল হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সড়ক দখল রয়েছে এবং স্থায়ী স্থাপনার মতো নির্মাণ করা হয়েছে। সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধোলাইখাল রোডের দৈর্ঘ্য প্রায় ০ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার (৭৮০ মিটার)। এ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে সুভাষ বোস অ্যাভিনিউয়ের দৈর্ঘ্য ০ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার এবং এর দুই পাশে ১১৬ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণকাজ চলছে। উন্নয়নকাজ শেষ হলে এলাকার চিত্র বদলে যাবে এবং জলাবদ্ধতার সমস্যা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ইশরাক বলেন, এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ডিসি ট্রাফিক, সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ এবং সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট ও সম্পত্তি বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। ধোলাইখালের দুই পাশের মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গেও কথা বলা হবে।
ধোলাইখাল ট্রাক স্ট্যান্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের ইজারা দেওয়া নির্ধারিত সীমানার বাইরে রাতের বেলায় ট্রাক দাঁড়িয়ে পুরো সড়ক দখল করে ফেলে। আগে সেই জায়গা উন্মুক্ত করা হবে, যাতে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকে।
তিনি আরও বলেন, যেখানে স্বাভাবিকভাবে ১৫-২০ মিনিট লাগার কথা, সেখানে যানজটের কারণে এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগছে। পুরান ঢাকায় স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড না থাকায় লোকাল বাস সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাস্তার ওপর ডাবল বা ট্রিপল লেনে বাস দাঁড়িয়ে পুরো সড়ক বন্ধ করা তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা সম্ভব। তবে বাস ও যাত্রীদের সুবিধার জন্য আপাতত এক লেনে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।
ইশরাক হোসেন বলেন, বিষয়টি জাতীয় নীতির আওতায় আনা হবে। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় ও গণপরিবহন শৃঙ্খলায় আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী সরাসরি নির্দেশনা দিচ্ছেন এবং স্থায়ী বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে।


