× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১২:২৭ পিএম

ঈদের ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১২:২৭ পিএম

পোশাক শ্রমিক। ছবি : সংগৃহীত

পোশাক শ্রমিক। ছবি : সংগৃহীত

ঈদের ছুটির আগেই দেশের সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। 

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডে নিজ সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। 

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট সংসদীয় এলাকাভিত্তিক ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের কাছে প্রদান করা হবে। সংসদ সদস্যরা সরাসরি কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বকেয়া বেতন ও বোনাস দ্রুত পরিশোধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ইউসিবিএল, ট্রাস্ট, প্রিমিয়ার ব্যাংকসহ যেসব ব্যাংক লোন প্রদানে গড়িমসি করছে, তাদের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

মন্ত্রী অনুরোধ করে বলেন, যেসব শ্রমিক নেতা শ্রমিকদের অহেতুক উত্তেজিত করে শিল্প খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তাদের বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। পাশাপাশি পলাতক মালিক এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এসব কারখানায় যেন কোনো ধরনের গণ্ডগোল বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে ব্যাপারে সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

সবশেষে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী যেকোনো সহযোগিতার জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে শ্রমিক স্বার্থ রক্ষায় সব সময় পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, আমরা সরকার গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বন্ধ কারখানাগুলো চালু করে ফেলব। তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশনা রয়েছে, কঠোর নজরদারির মাধ্যমে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে কাজ করার।

সভায় বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালু আছে ২ হাজার ১২৭টি কারখানা, যার ১ হাজার ৯৬৪টি (৯২ দশমিক ৩৪ শতাংশ) কারখানা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করেছে এবং ১ হাজার ৫৩৫টি (৭২ দশমিক ১৭ শতাংশ) কারখানা ঈদের বোনাস পরিশোধ করেছে। তিনি আরও বলেন, মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক না, যাদের সামর্থ্য আছে, তারা দেবে; কিন্তু মার্চ মাসের বেতন পরিশোধের জন্য শ্রমিকদের অনেকেই উস্কে দিচ্ছে।

সভায় বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, দেশের ৮৩৪ কারখানার মধ্যে ৫১২টি কারখানা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন দিয়েছে এবং  ৬০৪টি কারখানা ঈদের বোনাস পরিশোধ করেছে। তিনি আরও বলেন, যেহেতু অধিকাংশ কারখানা বেতন-বোনাস পরিশোধ করেছে, আমরা আশা করি, কোনো ধরনের শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হবে না।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার বলেন, আপৎকালীন ফান্ড করতে পারলে সেই অর্থ দিয়ে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন এবং গাজীপুর জেলার সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান (গাজীপুর-১), এম. মনজুরুল করিম রনি (গাজীপুর-২), এস এম রফিকুল ইসলাম (গাজীপুর-৩), এবং ফজলুল হক মিলনসহ (গাজীপুর-৫) সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!