মধ্যপ্রাচ্যের সংকট এবং তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষিতে দেশের মহানগরীর স্কুল-কলেজগুলোতে অনলাইন ক্লাস চালুর প্রস্তাব উঠেছিল। এরই মধ্যে সপ্তাহে একদিন অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছায়নি। তবে এ বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, অনলাইন ক্লাসে বিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়ে না। একটি স্কুলে ৬০টি ফ্যান চলে যদি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকে, আর বাসায় একটি ফ্যানই চলে। তাছাড়া বাসায় আইপিএস বা সোলার ব্যবস্থাও থাকে। এটি মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য প্রযোজ্য।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে শিল্পকলা একাডেমিতে কুমিল্লা অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী এ সময় আরও বলেন, অনলাইন ক্লাস শুধু মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য প্রযোজ্য; মফস্বল এলাকার বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।
এর আগে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি সব জায়গায় আপস করবো, কিন্তু শিক্ষার ক্ষেত্রে নয়।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমি সব সংসদ সদস্যকে বলেছিলাম, আপনারা পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন, কিন্তু সঙ্গে কাউকে নেবেন না। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা যেভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে, সে কারণে আগামী দিনে প্রতিটি উপজেলায় মাল্টিপারপাস পরীক্ষার হলরুম তৈরি করা হবে, যাতে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেওয়া যায়।
মন্ত্রী বলেন, এখানে অনেক শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা আছেন। সরকারি কলেজের শিক্ষকরা শিক্ষা বোর্ডে আসার জন্য আগ্রহী থাকেন। আমি মন্ত্রী হওয়ার পর দেখেছি, সারা বাংলাদেশের শিক্ষকরা—কে ডিডি অফিসে যাবেন, কে বোর্ডে যাবেন—এই নিয়ে দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। আর আমাকে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা যে পরিমাণ ডিও লেটার দিয়েছেন, তা দেখে আমি চিন্তা করি—আমি যেন এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছি। কেউ কেউ যেন অসুস্থ হয়ে পড়েন।

