ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

৪ দিনের ডিসি সম্মেলন শুরু আজ, উঠছে ৪৯৮ প্রস্তাব

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০৭:৩০ এএম
ছবি- সংগৃহীত

চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ রোববার (৩ মে)। সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান।

শনিবার (২ মে) সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির। এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।

অতিরিক্ত সচিব জানান, এবারের সম্মেলন ৩ থেকে ৬ মে পর্যন্ত চলবে; আগেরবার এটি তিন দিনব্যাপী ছিল। সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে মোট ৪৯৮টি প্রস্তাব আলোচনার জন্য উপস্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও ই-গভর্ন্যান্স, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়।

সম্মেলন চলাকালে জেলা প্রশাসকরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও মতবিনিময়ের সূচি রয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব আরও জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গেও কার্য-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মোট ৩৪টি অধিবেশন হবে, যার মধ্যে ৩০টি কার্য-অধিবেশন এবং বাকি অংশ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে পাওয়া ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে ৪৯৮টি কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবে জনসেবা ও স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটন খাতের বিকাশ, আইন ও বিধিমালা সংশোধন এবং জনস্বার্থ সংরক্ষণ অগ্রাধিকার পেয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ৪৪টি প্রস্তাব এসেছে।

সম্মেলনের প্রত্যাশিত ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে জেলা প্রশাসকদের যেসব আইনগত, প্রশাসনিক ও আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়, সেগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা হবে। এর মাধ্যমে সমস্যার কার্যকর সমাধান এবং সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর কৌশল নির্ধারণ করা হবে।

এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নীতি, উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জেলা প্রশাসকরা ধারণা পাবেন। নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন ও সরকারের কর্মসূচির বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতেও দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

সম্মেলন শেষ হবে আগামী ৬ মে।