× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম

নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত এনসিপির

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম

এনসিপির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

এনসিপির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, তারা এই নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না তা এখনো বিবেচনা করছেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমরা বিশ্বাস রাখতে পারছি না।’

রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। 

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণ খেলাপি বা ঋণ খেলাপির গ্যারান্টারদের অনেককে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়েছি। এই কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না।’

এ সময় ছাত্রদলের আজকের নির্বাচন ভবন ঘেরাও কর্মসূচিকেও  ‘নাটক’ বলে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, আজ পুরো বিষয়টি এক ধরনের নাটকের মতো মঞ্চায়িত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার সময় দেখলাম ছাত্রদলের দুই-তিন হাজার নেতাকর্মী গুরুত্বপূর্ণ দিনে একটি মব তৈরি করেছে। যে দিনটি ছিল আপিল শুনানির শেষ দিন, সেই দিন বাইরের এই চাপ একটি এক্সটারনাল প্রেশার হিসেবে কাজ করেছে।

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, রায়ের পূর্ব মুহূর্তে অপরাধী বা তাদের পক্ষের সঙ্গে বসে বিচারক কোনো রায় দিলে তা কখনোই নিরপেক্ষ হয় না। আমরা দেখেছি কমিশনাররা মাত্র ১৫ মিনিট কথা বলার পর দেড় ঘণ্টা সময় বিএনপির একদল নেতার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত। কমিশনাররা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেক নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এরপরই রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এতে একপাক্ষিকতার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, দ্বৈত নাগরিক ও ঋণ খেলাপিদের ছাড় দেওয়ার ফলে রাজনৈতিক দলগুলো আত্মবিশ্বাস হারিয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকেও আমরা দেখেছি একজন দ্বৈত নাগরিকের পক্ষে কথা বলছেন। তিনি বলেছেন, বাধ্য হয়ে দেশের বাইরে ছিলেন, তবে রায় এখনো আসেনি। যদি এভাবে কমিশন কার্যক্রম চালিয়ে যায়, তাহলে তারা কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এখনো পুরোপুরি সিদ্ধান্ত নেই। নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিষয়ে আমরা আমাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করছি। দেশের গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেব।’

Link copied!