× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম

আন্দোলনকারীরা রাষ্ট্র-জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে : বন্দর চেয়ারম্যান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম

চবক চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান। ছবি : সংগৃহীত

চবক চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান। ছবি : সংগৃহীত

শ্রমিক-কর্মচারীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান বলেছেন, জনগণকে জিম্মি করে কিছু বিপথগামী কর্মচারী রাষ্ট্র ও জনস্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা রাষ্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী। আমাদের আনুগত্য থাকবে রাষ্ট্রের প্রতি, বন্দরের আইন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি। কেউ যদি ভিন্ন কোনো আনুগত্য বেছে নেয়, তা আচরণবিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বন্দর চেয়ারম্যান।

এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, বন্দরের কার্যক্রম সচল রয়েছে। যারা এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে, তারা রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। রমজানের আগে এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে জনমনে অসন্তোষ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি প্রায় দুই ঘণ্টা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই কাজে যোগ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন, কেউ কাজে বাধা দেবে না, বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ডিপি ওয়ার্ল্ডকে লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে কর্মবিরতি শুরু করে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। পরে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচির ফলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমসহ বন্দরের প্রায় সব অপারেশন বন্ধ হয়ে যায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম সফর করেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে শ্রমিক নেতারা উপদেষ্টার আশ্বাসে শুক্রবার ও শনিবার দুই দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন।

এরই মধ্যে আন্দোলনরত ১৫ জন শ্রমিক নেতার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি তাদের বিদেশযাত্রা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হয়েছে।

দুদকে পাঠানো চিঠিতে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও মো. ইব্রাহিম খোকনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আন্দোলনের মধ্যেই তাদের প্রেষণে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়। তালিকায় আরও রয়েছেন মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মো. হুমায়ুন কবীর (এসএস পেইন্টার), মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রাব্বানী।

এর প্রতিবাদে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে চার দফা দাবিতে রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ঘোষণা দেন বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতা মো. হুমায়ুন কবীর।

রোববার সকাল থেকে ধর্মঘটের কারণে বন্দরের বিভিন্ন জেটি, টার্মিনাল, কনটেইনার ডিপো ও বহির্নোঙরে কাজ বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বন্দরের বিভিন্ন গেটে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

Link copied!