× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ১১:১৭ পিএম

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন : শাহজালালে ২৪ ঘণ্টা দর্শনার্থী প্রবেশ নিষেধ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ১১:১৭ পিএম

তারেক রহমান। ছবি- সংগৃহীত

তারেক রহমান। ছবি- সংগৃহীত

১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিমানবন্দর, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থল এবং যাতায়াতের পুরো রুট সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোন নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।

লন্ডন থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে করে তিনি সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। তার এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, বিমানবন্দরে অবতরণের পর সেখানে সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা শেষে তারেক রহমান সড়কপথে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। সংবর্ধনা শেষে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা হয়ে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তিনি, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা তিনি মায়ের পাশে অবস্থান করবেন। এরপর সন্ধ্যার দিকে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে যাবেন তারেক রহমান। দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত এই ডুপ্লেক্স বাড়িটিই হবে তার স্থায়ী বাসভবন। উল্লেখ্য, এই বাড়ির পাশেই ‘ফিরোজা’ ভবনে অবস্থান করেন বেগম খালেদা জিয়া।

তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নিজস্ব নিরাপত্তা ইউনিট ‘চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স’ (সিএসএফ) সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। সরকারি পর্যায়ে তাকে এসএসএফ প্রটোকল সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

এ ছাড়া বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ‘রজনীগন্ধা’ থেকে শুরু করে পূর্বাচল ও গুলশান পর্যন্ত পুরো রুটে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হবে।

Link copied!