× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম

শর্ত পূরণ হলেই বিএনপিতে ফিরবেন রুমিন ফারহানা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন রুমিন ফারহানা। নির্বাচনের পরদিন হাঁস কোলে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এই নেত্রী। সেখানে দলীয় রাজনীতিতে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি স্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিকবিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থীর বিপরীতে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় গত ৩০ ডিসেম্বর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে তার পক্ষে নির্বাচনি কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগে সরাইল উপজেলা, বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের ১০ জন নেতাকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

দলে ফেরার বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, তাকে পুনর্বহাল করতে হলে তার সঙ্গে বহিষ্কৃত সব নেতাকর্মীকেও দলে ফিরিয়ে নিতে হবে। তাদের বাদ দিয়ে তিনি একা দলে ফিরবেন না—এমন ইঙ্গিতই দেন তিনি।

নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে হাঁস বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি ব্যক্তিগত স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। ছোটবেলায় তাদের বাসায় হাঁস, মোরগ ও কবুতর ছিল বলে জানান তিনি। মায়ের চাকরির সুবাদে বড় বাড়িতে থাকার সুযোগ থাকলেও পরবর্তীতে ছোট অ্যাপার্টমেন্টে চলে যাওয়ায় আর হাঁস পালন করা সম্ভব হয়নি। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তার হাঁস-মুরগি রয়েছে এবং অবসর সময়ে সেগুলোর সঙ্গেই সময় কাটান। সেই স্মৃতি ও অভ্যাস থেকেই হাঁসকে নিজের প্রতীক হিসেবে বেছে নেন বলে জানান তিনি।

নিজের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, এই নির্বাচনি লড়াই তার জন্য কঠিন ছিল, কিন্তু তার চেয়েও বেশি কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে তার নেতাকর্মীদের। তিনি বলেন, জয়ী না হলে হয়তো আবার ঢাকায় ফিরে পেশায় মনোযোগ দিতে হতো। অথচ তার অনেক কর্মী ইতোমধ্যে বহিষ্কৃত। গত ১৭ বছরে তারা নিরলস পরিশ্রম করেছেন, ঘরে ঠিকমতো ঘুমানোর সুযোগও পাননি। তবুও তাদের মধ্যে কোনো হতাশা নেই; বরং তারা আনন্দিত। এই ভালোবাসার ঋণ শোধ করা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভোটগ্রহণের দিন বৃহস্পতিবার দুপুরের পর বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে এবং ফলাফল বিলম্বিত করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রুমিন দাবি করেন, জালিয়াপাড়া কেন্দ্রে তিনি নিজে উপস্থিত হয়ে ‘খেজুর গাছ’ প্রতীকের সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। সংঘর্ষের মধ্যেই কেন্দ্রে প্রবেশ করে পুনরায় ভোট গণনার ব্যবস্থা করেন। সেখানে কিছু ভুয়া ভোট শনাক্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি। এসব পরিস্থিতিকে তিনি নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে ৩৮ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করে বিজয়ী হন রুমিন ফারহানা। হাঁস প্রতীকে তিনি পান ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে অর্জন করেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!