ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দেরি করে ইফতার করলে কী হয়?

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

সূর্য অস্ত যাওয়ার সাথে সাথে ইফতার করা নবীজির গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। বিলম্বে ইফতার করার কারণে রোজা ভঙ্গ হবে না। তবে উত্তম হলো, যথাসয়ে ইফতার করা। হজরত সাহল ইবনে সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যতদিন মানুষ অনতিবিলম্বে ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।’ 

দেরি না করে ইফতার করার সঙ্গে ইসলামের বিজয়ের সম্পর্কও জড়িত। ইফতারে দেরি করা ইহুদি ও নাসারাদের স্বভাব। নবি কারিম (স.) বলেছেন— ‘দ্বীন ততদিন পর্যন্ত ঠিক থাকবে, যতদিন পর্যন্ত মানুষ তাড়াতাড়ি ইফতার করবে। কেননা, ইহুদি-খ্রিষ্টানরা বিলম্বে ইফতার করে।’ (আবু দাউদ: ২৩৫৫)

দেরিতে ইফতার করা একদিকে যেমন কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ, অন্যদিকে নবীজির নির্দেশনা অমান্য করে ইহুদি নাসারাদের স্বভাব গ্রহণ করার মতো ঘৃণিত অপরাধ। তাই সূর্য ডুবে গেলে আর দেরি করা উচিত নয়। 


ইফতারের সময় যে দোয়া পড়তে হয়— তা জেনে রাখলে ও পড়লে; সুন্নত পালন হয়। আল্লাহ তাআলা সওয়াব ও উত্তম প্রতিদান দান করবেন। দোয়াটি হলো-

بسم الله اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিজকিকা আফতারতু।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিজের মাধ্যমে ইফতার করছি। (মুআজ ইবনে জাহরা থেকে বর্ণিত, আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)

ইফতারের পরের দোয়া:

«ذَهَبَ الظَّمَأُ، وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ»

উচ্চারণ : জাহাবাজ্-জামাউ, ওয়াব্ তাল্লাতিল উরুকু, ওয়া ছাবাতাল আজরু, ইনশাআল্লাহু তাআলা।

অর্থ : (ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো। (আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৭)