× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

ধ্বংসস্তূপের মাঝে ফুটবলের ফেরা

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ এবং প্রতিদিনের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের মাঝেই গাজা উপত্যকায় ফুটবলের ছোঁয়া লেগেছে। দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় পর, গাজা সিটির তাল আল-হাওয়া এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি ‘ফাইভ-এ-সাইড’ ফুটবল টুর্নামেন্ট। 

ইট-পাথরের স্তূপে ঘেরা একটি জরাজীর্ণ মাঠকে পরিষ্কার করে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে, যা স্থানীয়দের কাছে এখন আশা ও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক হয়ে উঠেছে।

টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল জাবালিয়া ইয়ুথ ও আল-সাদাকা। ম্যাচটি ড্র হলেও, খেলার ফলাফল ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছে খেলোয়াড় ও দর্শকদের আবেগের জায়গাটি।

ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে তৈরি করা কৃত্রিম ঘাসের ছোট মাঠটিতে দীর্ঘ সময় পর ফিরে মিশ্র অনুভূতি প্রকাশ করেছেন জাবালিয়া ইয়ুথের ২১ বছর বয়সী ফুটবলার ইউসুফ জেন্দিয়া। 

তিনি বলেন, সকালে মানুষ পানি, খাবার, রুটি খোঁজে। জীবন খুব কঠিন। কিন্তু দিনের কিছুটা সময় থাকে, যখন মাঠে এসে খেলতে পারেন, ভেতরের আনন্দটা প্রকাশ করতে পারেন। যা আমার কাছে বিভ্রান্ত লাগছিল— খুশিও, আবার কষ্টও। মাঠে এলে অনেক সতীর্থকে মিস করি- কেউ নিহত, কেউ আহত, কেউ চিকিৎসার জন্য বাইরে।

অক্টোবরে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও গাজার পরিস্থিতি খুব একটা বদলায়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখনো ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারাচ্ছেন হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। 

উপত্যকার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, ফলে ২০ লাখের বেশি মানুষ সংকীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। অনেকেই এখন অস্থায়ী তাবু বা ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ফুটবলের প্রতীকী কেন্দ্র ইয়ারমুক স্টেডিয়াম, যা একসময় ৯ হাজার দর্শক ধারণ করত, তা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এমনকি ইসরায়েলি বাহিনী এটিকে অস্থায়ী আটক কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার করেছিল। বর্তমানে সেই স্টেডিয়ামে সাদা তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো।

এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন নতুন করে বেড়া বসিয়ে এবং পুরনো কৃত্রিম ঘাস পরিষ্কার করে মাঠ প্রস্তুত করেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য শুধু খেলা নয়, বরং বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দেয়া।

বেইত হানুনের খেলোয়াড় আমজাদ আবু আওদা দৃপ্তকণ্ঠে বলেন, আমরা একটা বার্তা দিতে চেয়েছি- যত ধ্বংসই হোক, যত যুদ্ধই হোক, আমরা খেলব, আমরা বাঁচব। জীবন চলতেই হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!