× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম

১৫ বছর পর রায়: কিশোরীকে গণধর্ষণ, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৫ বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঠাকুরগাঁওয়ের আলোচিত এক কিশোরী গণধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ে তিন আসামিকে স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত কারাদণ্ড (আমৃত্যু কারাদণ্ড) এবং অপর তিন সহযোগীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দণ্ডিতদের অর্থদণ্ডের টাকা ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে দণ্ডিতদের সম্পত্তি বিক্রি করেও ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৯ জুলাই) ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মনসুর এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে এক কিশোরী বান্ধবীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কের পাশে কয়েকজন যুবকের কবলে পড়েন।

অভিযোগে বলা হয়, তাকে জোরপূর্বক নির্জন স্থানে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং অপর তিনজন এ ঘটনায় সহযোগিতা করে। পরে এক পথচারী ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা দায়ের করে।

রায়ে আদালত আসামি আনিস ওরফে রানা, সাইফুল ইসলাম ও দুলালকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া আনিসুর, খতিবুর ও লালুকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালত আরও নির্দেশ দেন, জরিমানা থেকে আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। প্রয়োজন হলে দণ্ডিতদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ওই অর্থ আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

আদালত জানান, আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির মধ্যে একজন পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অন্য দণ্ডিতদের সাজা কার্যকরের জন্য কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই রায়ের মধ্য দিয়ে প্রায় ১৫ বছর ধরে চলা বহুল আলোচিত মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমের সমাপ্তি হলো।

Link copied!