× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম

বড় সুনামির মুখে কি বিশ্বকাপ 

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে বিশ্ব ক্রিকেটে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা দিন দিন আরও ঘনীভূত হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। আর এই সিদ্ধান্তই বিশ্বকাপের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে।

বিশেষ করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে—নকআউট পর্বে যদি ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হয়, তাহলে কী হবে? সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালের মতো হাইভোল্টেজ ম্যাচও কি বয়কট করবে পাকিস্তান?

এই জটিল প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় পাকিস্তানের বর্তমান অধিনায়ক সালমান আলি আগাকে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) অধিনায়কদের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে জানান, ভারতের বিপক্ষে না খেলার সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক এবং এটি পাকিস্তান সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নেওয়া।

সালমান আলি আগা বলেন, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত আমাদের সরকারের। খেলোয়াড় হিসেবে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে চলাই আমাদের দায়িত্ব।

নকআউট পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ পড়লে কী হবে—এমন প্রশ্নে তিনি কোনো চূড়ান্ত নিশ্চয়তা দেননি। বরং জানান, সে ক্ষেত্রেও সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তার ভাষায়, যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, আমরা আবারও সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকব।

গ্রুপ পর্বেই যদি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হয়, তাহলে সম্প্রচার স্বত্ব, বিজ্ঞাপন ও স্পনসরশিপ মিলিয়ে আইসিসি ও আয়োজকদের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে কয়েক হাজার কোটি টাকা। তবে আসল আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে নকআউট পর্বকে ঘিরে।

যদি দুই দল ভালো পারফরম্যান্স করে সেমিফাইনাল বা ফাইনালে মুখোমুখি হয় এবং তখনো পাকিস্তান বয়কটের পথে হাঁটে, তাহলে বিশ্ব ক্রিকেটের বাজারে বড় ধরনের ধস নামতে পারে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারতীয় সম্প্রচার বাজার ও আইসিসি নিজেই।

বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্টে এমন অনিশ্চয়তা আগে কখনো দেখা যায়নি। ফলে ক্রিকেটবিশ্বে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—বিশ্বকাপ কি আরও বড় সুনামির মুখে পড়তে যাচ্ছে?

পাকিস্তানের এই কঠোর অবস্থানের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন এবং আইসিসির ভূমিকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও একাধিক ইস্যুতে আইসিসির সঙ্গে বিসিবির দূরত্ব তৈরি হয়েছিল আগেই।

বিশেষ করে মুস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল অংশগ্রহণ, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বৈষম্যের অভিযোগে বাংলাদেশের পাশে শুরু থেকেই দাঁড়ায় পাকিস্তান। এমনকি আইসিসির গুরুত্বপূর্ণ ভোটাভুটিতেও একমাত্র পাকিস্তানই বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেয়।

এদিকে, বর্তমান এই সংকটের জন্য সবচেয়ে বড় দায় এড়াতে পারে না আইসিসি। সময়মতো কূটনৈতিক ও ক্রীড়া-সমাধান না খুঁজে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে সংস্থাটি। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!