হাঁটুর মারাত্মক ইনজুরিতে পড়ে চলতি মৌসুম থেকে ছিটকে গেছেন নেদারল্যান্ডসের উদীয়মান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার জাভি সিমন্স। এই চোটের ফলে আগামী গ্রীষ্মে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপেও তাঁর অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে, যা ২৩ বছর বয়সী এই তারকার জন্য এক বিশাল ধাক্কা।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে থাকা টটেনহ্যাম হটস্পারের জন্য দুঃসংবাদ হয়ে এলো জাভি সিমন্সের চোট। গত শনিবার উলভসের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় পাওয়া ম্যাচে গুরুতর আহত হন তিনি। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে উলভস ডিফেন্ডার হুগো বুয়েনোর সঙ্গে সংঘর্ষের পর মাঠেই লুটিয়ে পড়েন সিমন্স। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ধারণা করা হচ্ছে, তিনি এসিএল (Anterior Cruciate Ligament) ইনজুরিতে পড়েছেন।
চোটের ভয়াবহতা বুঝতে পেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভাঙা মনের কথা প্রকাশ করেছেন সিমন্স। তিনি লিখেছেন: “জীবন কখনো কখনো কতটা নির্মম হতে পারে, আজ তা হাড়হাঁহি টের পাচ্ছি। আমার মৌসুমটা এভাবে শেষ হয়ে যাবে, তা মেনে নিতে পারছি না। সত্যি বলতে, আমি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছি।”
টটেনহ্যাম বর্তমানে লিগ টেবিলে ১৮ নম্বরে অবস্থান করছে। হাতে থাকা মাত্র চারটি ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে রেলিগেশন এড়ানোর যে কঠিন চ্যালেঞ্জ দলটির সামনে ছিল, সিমন্সের অনুপস্থিতি সেই পথকে আরও দুর্গম করে তুলল।
অন্যদিকে, আগামী ১১ জুন থেকে উত্তর আমেরিকায় শুরু হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের হয়ে খেলাটাও এখন তাঁর জন্য এক প্রকার অসম্ভব। ১৪ জুন জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ডাচদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, দীর্ঘমেয়াদী এই চোট সিমন্সকে মাঠের বাইরে ছিটকে দিয়েছে।
বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে ছিটকে যাওয়ার যন্ত্রণায় কাতর সিমন্স লিখেছেন, “দেশের হয়ে খেলা এবং দলের জন্য লড়াই করার সুযোগটা আমার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হলো।” তবে হতাশার মাঝেও ভক্তদের আশ্বস্ত করে তিনি জানিয়েছেন, শীঘ্রই আরও শক্তিশালী হয়ে মাঠে ফিরবেন তিনি। সতীর্থদের জন্য গ্যালারি থেকে সমর্থন জুগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন এই তরুণ মিডফিল্ডার।


